ঝালকাঠির রাজাপুরে মো. হৃদয় খান (১১) ও রেশমা আক্তার (১৪) নামে দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার পশ্চিম বাদুরতলা গ্রামের বদনিকাঠি খাল ও জগাইরহাট গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হৃদয় খান উপজেলার পশ্চিম বাদুরতলা গ্রামের মো. ইউসুব খানের ছেলে এবং স্থানীয় মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। অপর শিক্ষার্থী রেশমা আক্তার উপজেলার জগাইরহাট গ্রামের মীর ইয়াকুব আলীর মেয়ে ও ত্রিপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
মৃত হৃদয় খানের বাবা ইউসুব খান জানায়, হৃদয় এপিলেপসি বা মৃগীরোগে ভুগছিল। সে মাঝে মধ্যে মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ত। এ অবস্থায় বুধবার দুপুরে হৃদয় বড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজার পরে তাকে না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাজাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি। শুক্রবার সকালে এলাকার লোকজন নিখোঁজ হৃদয় খানের মরদেহ খালে ভাসতে দেখে রাজাপুর থানা পুলিশে খবর দেয়। থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
অপরদিকে মৃত রেশমার বাবা মো. মীর ইয়াকুব আলীসহ পরিবারের লোকজন জানায়, রাতের খাবার খেয়ে রেশমা ও তার ছোট বোন মিম এক সাথে ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে ছোট বোন মিম ফজরের নামাজ পড়তে আবার শুয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পরে মিম রেশমাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে পরিবারের সবাইকে জানায়। পরিবারের লোকজন সবাই খোঁজাখুঁজি করে ঘরের পিছনে একটি আম গাছে তার ঝুলন্ত অবস্থায় রেশমাকে দেখতে পায়। তবে কি কারণে রেশমা আত্মহত্যা করেছে এর কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছেনা তা পরিবার।
রাজাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. জাহিদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় রাজাপুর থানায় আলাদা দুইটি ইউডি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।
ইত্তেফাক/বিএএফ