মাঠ চেয়ে পাপনকে সালাহউদ্দিনের ফোন

ফুটবলের ব্যাপক কার্যক্রম বেড়েছে। চারদিকে খেলা হচ্ছে। এখন মাঠের প্রয়োজনীয়তাও বেড়ে গেছে। মাঠ পেতে ক্রিকেট বোর্ডের সহযোগিতা চেয়েছে বাফুফে। ফতুল্লায় খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম ব্যবহার কারতে চায় বাফুফে। সেখানে ফুটবল খেলার আয়োজন করতে বিসিবির সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহ্উদ্দিন বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে কথা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সালাহউদ্দিন ফোন করে ছিলেন পাপনকে। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন ফতুল্লাহ স্টেডিয়ামটি ফুটবলের জন্য ব্যবহার করতে চান। ফুটবলের কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেছেন। প্রয়োজনীয়তার কথা শুনেছেন বিসিবি সভাপতি। বাফুফে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি খুবই আন্তরিক। তিনি তার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন।

ফতুল্লাহ স্টেডিয়ামে ২০১৫ সালে শেষ টেস্ট ম্যাচ হয়েছিল। ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছিল। এরপর আর খেলা নেই। ঘরোয়া ক্রিকেট লিগের কিছু খেলাও হয়। ক্রিকেটের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ফতুল্লার এই মাঠে ফুটবল খেলার আয়োজন করতে চাইছে। 

বাফুফে বলছে তাদের খেলার আয়োজনটা অনেক বেড়ে গিয়েছে। মুন্সিগঞ্জ, টঙ্গী, কুমিল্লা এবং ঢাকায় প্রিমিয়ার লিগের খেলা হচ্ছে, খেলছে ১৩টি দল। চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের খেলা হচ্ছে কমলাপুর স্টেডিয়ামে। প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ, তৃতীয় বিভাগ এবং পাইওনিয়র ফুটবল লিগ রয়েছে। খেলার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এছাড়াও মাঠ সংকটের কারণে সেশন জট লেগে আছে।

একটা লিগ না হলে সেই সংকট অন্যান্য লিগকে ক্ষতি করে। নিয়মিত খেলা না হওয়ার কারণে ক্লাবগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষপঞ্জি অনুসারে খেলাটা নিয়মিত আয়োজনের জন্য মাঠের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু মাঠ সংকটের কারণে অনেক খেলাই আটকে থাকে। এই সংকট হতে পরিত্রাণের জন্য মাঠ খুঁজছে বাফুফে। ফতুল্লাহ স্টেডিয়ামে খেলা হলে সংকট কিছুটা দুর হবে মনে করছে বাফুফে। 

বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন, বছরে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফতুল্লা স্টেডিয়াম চাওয়া হয়েছে বিসিবির কাছে। সোহাগ বলেন,‘আমরা তিন থেকে চার মাসের জন্য মাঠ পেলে খেলাটা অন্যান্য খেলাগুলো আয়োজন করতে পারবো।’ বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন জানিয়েছেন ফতুল্লা স্টেডিয়ামটি আইসিসির অ্যাক্রিডিটেড ভেন্যু। এখানে ফুটবল এবং ক্রিকেট এক সঙ্গে হওয়ার সুযোগ নেই। তা ছাড়া পিচ সরাবে কিভাবে। কোভিড শেষ হলেই ওখানে (ফতুল্লায়) খেলা হবে। যদি ক্রিকেটারদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনা যায়।’

ইত্তেফাক/এসআই