২ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এনসিএল দিয়ে আবারও ক্রিকেটে ফিরছেন পেসার কাজী অনিক। ডোপ টেস্টে পজেটিভ হওয়ায়, ২০১৯ সাল থেকে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে তাকে নিষিদ্ধ করে বিসিবি। কঠিন সেই সময়কে ভুলে আবারও নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া অনিক। গতির ঝড় তুলে খেলতে চান জাতীয় দলের হয়ে।
১৪০ এর বেশি গতিতে বল করতে পারে ১৭ বছরের এক কিশোর! কাজী অনিকের কথা মনে আছে হয়তো অনেকেই মনে রেখেছেন। ২০১৮ যুব বিশ্বকাপে বাঁহাতে গতির ঝড় তুলে, যিনি সবার আলোচনায় এসেছিলেন। সে সময়ে অনেকে ক্রিকেট বোদ্ধাই তাকে তুলনা করেছিলেন ভবিষ্যতের শন টেইট, শোয়েব আক্তার, ব্রেট লির মতো গতিদানবের সঙ্গে।
শুধু বয়সভিত্তিক দলই নয়, এনসিএল কিংবা বিপিএলে সুইং আর বাউন্সে ২২ গজে প্রতিপক্ষের জন্য অনিক ছিলেন মূর্তিমান আতঙ্ক। কিন্তু একটা ভুল কেড়ে নিলো সবকিছুই। বাজে সঙ্গীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ঝুঁকিতে ফেলেন নিজের সম্ভাবনাময় ক্রিকেট ক্যারিয়ার।
বিসিবির এন্টি ডোপিং কোডের ৮ দশমিক ৩ ধারা ভঙ্গ করে নিষিদ্ধ হন ২ বছরের জন্য। গত ৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হয় সেই নিষেধাজ্ঞার সয়মকাল। কাজী অনিক এখন যেন মুক্ত বিহঙ্গ।
নিষধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর অনিক জানালেন, তার জীবন থেকে যা গেছে তা আর ফিরে দেখতে চান না। ভুল করেছেন, সে ভুল যেন স্বপ্নে দেখা না দেয় তার জীবনে।
সেবার ঢাকা মেট্রোর হয়ে এনসিএল দিয়ে জড়িয়ে ছিলেন বিতর্কে, দুই বছর বাদে আবারও প্রতিযোগীতা মূলক ক্রিকেটে ফিরছেন এনসিএল দিয়েই। উৎরেছেন ইয়ো-ইয়ো ফিটনেস টেস্টও। তাইতো এই যুবার চোখে এখন নতুন শুরুর গল্প।
কাজী অনিক বললেন, এনসিএল থেকে আমি বাদ পড়ি। সেই এনসিএল দিয়েই আবার ফিরতে চাই। যেভাবে আমার সবকিছু ঠিক ছিল, সেভাবেই আবার ফিরতে চাই। যেন আমার মধ্যে কোনো ঘাটতি না থাকে।
ইত্তেফাক/টিআর