ক্র্যাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত
বিনিময়ে র্যাব ডিজি
ইত্তেফাক রিপোর্ট
চুরি, ডাকাতি, খুন ও অপহরণের মতো অপরাধ কিছুটা কমেছে। কিন্তু অর্থনৈতিক ও সাইবার অপরাধ বেড়েছে। এই দুই ধরনের অপরাধকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। গতকাল বুধবার রাজধানীর কুর্মিটোলায় অবস্থিত র্যাব প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের- ক্র্যাব কার্যনির্বাহী পরিষদের নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে র্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অপরাধ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনে ২-৩ বছরের জন্য অস্থায়ী আইন প্রণয়ন করা জরুরি। তাহলে এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
মতবিনিময় সভায় র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ডিআইজি জামিল আহমেদ, ক্র্যাব সভাপতি আবুল খায়ের, সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ার, র্যাব পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান, সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, ক্র্যাব সহ-সভাপতি মিজান মালিক এবং যুগ্মসম্পাদক সিরাজুল ইসলামসহ অন্য নির্বাচিত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
র্যাব ডিজি বলেন, আমাদের কাছে যত অভিযোগ আসছে তার ৭০ ভাগই অর্থনৈতিক অপরাধ সংক্রান্ত। কিন্তু এসব অপরাধের বিষয়ে আমরা কিছু করতে পারছি না। আমরা গভীরে কাজ করি। চুনোপুটি নয়, রাঘব-বোয়ালদের দিকে দৃষ্টি রয়েছে। মাদক নির্মূলকে সামনে রেখেই কক্সবাজারে র্যাবের একটি নতুন ব্যাটেলিয়ন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। র্যাব সেখানে ৩-৪ বছর কাজ করতে পারলেই ওই অঞ্চলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব হবে। এরপর সেখানে ট্যুরিজম এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলের নিরাপত্তায় মনোযোগী হবে র্যাব।