লক্ষ্যমাত্রা একই রেখে নতুন মুদ্রানীতি আসছে

আগামী বুধবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন গভর্নর

g ইত্তেফাক রিপোর্ট

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে খুব বেশি পরিবর্তন আসছে না। আগের মুদ্রানীতিতে লক্ষ্যমাত্রা প্রাক্কলন একই রকম থাকছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে গেছে। তাই লক্ষ্যমাত্রা একই রেখে তা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার পদক্ষেপ নেবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকসূত্রে জানা গেছে।

চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) সময়ের মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে আগামী বুধবার। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স এন্ড পাবলিকেশন্স এর মহাব্যবস্থাপক জী. এম. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন গভর্নর ফজলে কবির। নতুন মুদ্রানীতি তৈরির প্রাথমিক কাজ চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংকসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্টজনের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এসব বৈঠকে আসা পরামর্শের আলোকে জানুয়ারি-জুন সময়ের নতুন মুদ্রানীতি তৈরি করা হবে।

অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছিল ১৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। তবে অর্জিত হয়েছে ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ। অন্যদিকে সরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে। সরকারি খাতে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ বাড়ানোর প্রাক্কলন করা হলেও বেড়েছে ১২ দশমিক ৫১ শতাংশ। এছাড়া মুদ্রানীতির অন্যতম লক্ষ্য থাকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা। আগের মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছিই ছিল মূল্যস্ফীতি। ডিসেম্বর পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি ৬ মাস অন্তর আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। মুদ্রানীতির মাধ্যমে পরবর্তী ছয় মাসে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে তার একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।