বাংলা ব্যাকরণ
১. কোনো বর্ণের উপরে রেখা দেওয়াকে কী বলে?
উত্তর:মাত্রা।
২. বর্ণমালায় ব্যবহূত মাত্রাহীন বর্ণগুলোর মধ্যে কয়টি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে?
উত্তর:ছয়টি।
৩. স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্তরূপকে কী বলা হয়?
উত্তর:কার/ সংক্ষিপ্ত স্বর।
৪. কয়টি ব্যঞ্জনবর্ণফলা রূপে ব্যবহূত হতে পারে?
উত্তর:ছয়টি।
৫. ঠোঁট ও নাকের ছিদ্রের সাহায্যে উচ্চারিত হয় কোন ধ্বনিটি?
উত্তর:‘ম’।
৬. অঘোষ ‘হ’ ধ্বনির বর্ণ রূপ কী?
উত্তর:‘ও’।
৭. বাংলা বর্ণমালার কোন বর্ণটি স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হয় না?
উত্তর:‘ত্’।
৮. বাঙালি শিশুরা কোন বর্গের ধ্বনিগুলো আগে শেখে?
উত্তর:‘প’ বর্গের।
৯. ঙ, ঞ, ণ, ন, ম, ং, ঁ ধ্বনিগুলো ইংরেজি করলে কোন বর্ণ লিখতে হয়?
উত্তর:ঘ.
১০. বাংলা ভাষায় কয়টি যৌগিক স্বরবর্ণ রয়েছে?
উত্তর:দুটি।
১১. আধুনিক বাংলায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা কতটি?
উত্তর:২৫টি।
১২. অক্ষর কাকে বলে?
উত্তর:কোন শব্দকে একবারই উচ্চারিত করাকে অক্ষর বলে।
১৩. বানান কাকে বলে?
উত্তর:ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের যোগ করাকে বানান বলে।
১৪. কোন স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্তরূপ নেই?
উত্তর:‘অ’।
১৫. ধ্বনি উচ্চারণের উত্স কোথায়?
উত্তর:ফুসফুস।
১৬. জিহ্বামূল থেকে উচ্চারিত ধ্বনিসমূহের নাম কী?
উত্তর:কণ্ঠ বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি।