রেবেকা, তার মেয়ে শাহজাদী আর সাবের। মূলত তিনটি চরিত্র। তাদেরকে ঘিরেই উপন্যাস ‘অপক্ষো’। লিখেছেন জেমকন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও লেখক কাজী শাহেদ আহমেদ। উপন্যাসটির প্রকাশনা উত্সব অনুষ্ঠিত হলো গতকাল। বৃহস্পতিবার বিকালে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন লোকগবেষক শামসুজ্জামান খান। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর সভাপতিত্বে বই নিয়ে আলোচনা করেন কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন এবং কবি শামীম রেজা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেমকন গ্রুপের পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ।
কাজী শাহেদ আহমেদ বলেন, প্রত্যেকটা মানুষের ভেতর গল্প আছে। তাই সবারই লেখা উচিত। আমি আরও বিশ বছর লিখে যেতে চাই।
ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, তার সঙ্গ সবসময় আনন্দদায়ক। জীবনের নানা জটিল বিষয় তিনি প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করেন। ‘অপেক্ষা’ উপন্যাসে নারী পুরুষের প্রেমের জটিল মনস্তাত্ত্বিক দিকটি সুনিপুণভাবে তুলে ধরেছেন।
কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, বয়সের ওপাশে গিয়েও স্বপ্ন দেখেন কাজী শাহেদ আহমেদ। দেশের জন্য মানুষের জন্য লিখে চলেছেন।
শামসুজ্জামান খান বলেন, দেশের নানা ক্রান্তিকালে কাজী শাহেদ আহমেদ ভূমিকা রেখেছেন। অপেক্ষা শুধু উপন্যাস নয়। এর মধ্যে রয়েছে মনস্তত্ত্বের টানাপোড়েন, আর এর পেক্ষাপটে রয়েছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ।
‘অপেক্ষা’ উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে কাগজ প্রকাশন। বইটির দাম রাখা হয়েছে ২৫০ টাকা। প্রচ্ছদ এঁকেছেন মাসুক হেলাল। প্রকাশনা উত্সবের শুরুতেই সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সাদী মহম্মদ।
১২ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান
১২টি বই প্রকাশনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করলো এম কে পাবলিকেশন ফোরাম। গতকাল ধানমন্ডি লেক সংলগ্ন সাম্পান রেস্তোরাঁয় ‘পাণ্ডুলিপি থেকে পুস্তক’ শীর্ষক এ প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে কবি আসাদ চৌধুরীর সভাতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি নির্মলেন্দু গুণ, কবি আনিসুল হক, রামেন্দু মজুমদার প্রমুখ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এম কে পাবলিকেশনের প্রকাশক এম কে দত্ত, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালবিকা দাশগুপ্তা।
প্রতিষ্ঠানটি চার লেখকের ১২টি বই প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে রয়েছে এম কে দত্তের বটুলিনাম টক্সিনের প্রায়োগিক কৌশলের উপর চিকিত্সা বিজ্ঞানের বইসহ নয়টি বই। এছাড়াও রয়েছে তাহমিদ আশরাফের ওলটপালট, সুজিত চৌধুরীর জার্মান বাংলাদেশ ভাবনা ও বিনেন্দ ভৌমিকের মৌমিতাকে লিখা পদ্য।