আজ শনিবার থেকে নবনির্মিত পিরোজপুর জেলা কারাগার চালু হচ্ছে। শহরতলির ঝাটকাঠিতে পিরোজপুর-নাজিরপুর বাইপাস সড়কের পাশে নির্মিত এই নতুন কারাগারে কয়েদি ও হাজতিদের পুরাতন কারাগার থেকে স্থানান্তর করা হবে। প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে জেলা কারাগারের নির্মাণ করা হয়। গতবছরের ৩১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আধুনিক আবাসিক নানা সুবিধা সমৃদ্ধ জেলা কারাগার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ফলে পিরোজপুরে চালু হয় প্রায় দেড়শ’ বর্ষের ঔপনিবেশিক আমলের প্রাচীন উপ-কারাগারের স্থলে একটি স্বাধীন দেশের উপযোগী বসবাসযোগ্য সংশোধনাগার। ১৭৭ জন ধারণক্ষমতার পিরোজপুর জেলা কারাগারে স্থলে নতুনটি ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ৪১০ জন। জেলা কারাগারে বন্দিদের জন্য থাকবে ওয়ার্কশেড, সাজারপ্রাপ্ত কয়েদি, বিচারাধীন কয়েদি ও মহিলা কয়েদিদের জন্য থাকবে আলাদা আলাদা ব্যারক। থাকবে পুরুষ অসুস্থ বন্দীদের জন্য মেডিক্যাল সেন্টার, প্রিজনারস সেল, ক্যান্টিন ইত্যাদি। ইতোমধ্যে নতুন জেলা কারাগারের সমাপ্ত নির্মাণের কাজের মধ্যে রয়েছে জেল অফিস কাম জেলারের বাসভবন, প্রিজনার্স ওয়ার্ক শেড, সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি ব্যারাক, বিচারাধীন কয়েদি ব্যারাক (পুরুষ), কিশোর কয়েদি ব্যারক, মহিলা কয়েদি ব্যারাক (সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন), ওয়ার্ডার্স ব্যারাক, মেডিক্যাল সেন্টার (পুরুষ), প্রিজনার্স সেল, স্টাফ কোয়ার্টার এবং দুইটি কোয়ার্টার।
পিরোজপুর জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক মোঃ শামীম ইকবাল জানান, পুরানো উপ-কারাগার থেকে জেলা কারাগার প্রায় দেড়শ’ বছরের পুরানো ভবনে অবস্থিত ছিল। পাঁচ শতাধিক বন্দি ছিল এ কারাগারে। তাদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে নতুন জেলখানায় স্থানান্তরের কাজ চলছে।