তুরস্কের রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন এক বিবৃতিতে বলেন, তুরস্কে স্থানীয়ভাবে তৈরি আক্রমণে ব্যবহার্য ৩০ টি যুদ্ধ হেলিকপ্টার পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করতে বাধা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে ইসলামাবাদ এসব হেলিকপ্টার চীনের কাছ থেকে কিনতে বাধ্য হবে।
রাশিয়ার কাছ থেকে আঙ্কারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এতে কি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে তা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিংয়ে সব তথ্য প্রকাশ করেন তুরস্কের কর্মকর্তারা। ইব্রাহিম কালিন বলেন, তুরস্ককে উপযুক্ত শর্তসাপেক্ষে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ওয়াশিংটন।
এরপরেই রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে বাধ্য হয় তুরস্ক। ফলে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার সাথে যেকোনো রকম সামরিক চুক্তি করা থেকে বিরত রাখা হয়েছে। মার্কিন ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে।
সংবাদ মাধ্যম ডেইলি সাবাহ'র বরাতে জানা যায়, টি১২৯ এটিএকে মাল্টিরোল কমব্যাট হেলিকপ্টার সুনির্দিষ্টভাবে তুরস্কের সেনাবাহিনীর ‘হট এন্ড হাই পারর্মেন্স’ চাহিদা অনুযায়ী তৈরি। এই ট্যানডেম সিট, টুইন-ইঞ্জিন ও ন্যাটো-ইন্টারোপ্যারাবেল এ্যাটাক হেলিকপ্টার হামলা চালানো, সশস্ত্র নজরদারি, ও নিখুঁত আঘাত হানা ও ডিপ স্ট্রাইক মিশনের উপযোগী করে বিশেষভাবে তৈরি। এগুলো যেকোন আবহাওয়া ও পরিবেশে দিবারাত্র অপারেশন চালাতে পারে।
২০১৮ সালের মাঝামাঝিতে ৩০টি এটিএকে হেলিকপ্টার কেনার লক্ষ্যে দেশ দুটির মধ্যে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়। তুরস্কের প্রতিরক্ষা রফতানির ইতিহাসে এটা সবচেয়ে বড় চুক্তি।
ইত্তেফাক/এএইচপি