আশুলিয়ায় বাসচাপায় পোশাক কারখানার কর্মকর্তা নিহত, বাসে আগুন

সাভারের আশুলিয়ায় পোশাক কারখানা ছুটি শেষে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাস চাপায় এক কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা। এসময় তারা ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং ৩টি বাসে অগ্নিসংযোগ করে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া সড়কের নরসিংহপুর এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে। 

নিহত ওই কর্মকর্তার নাম সামসুল আলম। তিনি শারমিন গ্রুপের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারখানা ছুটি শেষে রাস্তা পার হওয়ার সময় কারখানার সিকিউরিটি গার্ড সড়কে গাড়িগুলোকে থামানোর চেষ্টা করে। এসময় শামসুল আলম  রাস্তা পারাপার হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু আশুলিয়া ক্লাসিক পরিবহনের একটি বাস তার ওপর দিয়ে উঠিয়ে দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। দুর্ঘটনার পর সড়কের দুই পাশেই যানচলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় । খবর পেয়ে কারখানার শ্রমিকরা সড়কে নেমে আসে। বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা সড়কে অবরোধ করে গাড়িতে অগ্নি সংযোগ এবং ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  

ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, সড়ক অবরোধ করে বাসে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালের ডেপুটি ম্যানেজার হারুন অর রশীদ তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা শামসুল আলমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় শারমিন গ্রুপের এক কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে কয়েকটি যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। 

ইত্তেফাক/কেকে