হুমকির মুখে ফসলি জমি
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের বেশ কিছু অঞ্চল নদী ভাঙন এলাকা। ওই ইউনিয়নের মানিকনগর, সাহেবনগর নয়াপাড়া, শ্রীঘর, নাসিরাবাদসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম মেঘনা নদীপাড়ে অবস্থিত। প্রায় প্রতিবছরই নদী ভাঙনের ফলে ওইসব গ্রামের বেশ কিছু ফসলি জমিসহ বসতবাড়ি মেঘনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ওই অরক্ষিত অঞ্চলটি এখন বালু উত্তোলনকারী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের রাহুগ্রাসের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে—উপজেলার মধ্যস্থল দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। এতে হুমকির মুখে পড়েছে পার্শ্ববর্তী গ্রাম ও ফসলি জমি। ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর পাড় ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় বাড়িঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে জীবনযাপন করছে কয়েকটি পরিবার।
শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমির হোসেন বাবুল বলেন, বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য প্রভাবশালীদের বহুবার জানানো হয়েছে। কিন্তু নিষেধ অমান্য করে তারা বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দেওয়ান বলেন, যদি কেউ নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে বালু উত্তোলন করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।