আক্কেলপুরে ফসলি জমি থেকে বালু-মাটি উত্তোলন

আক্কেলপুর উপজেলায় ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। ফসলি জমি থেকে গভীর করে বালু উত্তোলনের ফলে আশেপাশের ফসলি জমি ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া বালুর ট্রাক চলাচলের জন্য খাল ভরাট করা হয়েছে। এতে ওই খালের পানি চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সরেজমিনে কাঠালবাড়ি গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, আক্কেলপুর-সান্তাহার সড়কের (স্বপন আকন্দর ইটভাটা নামক স্থানের মোড়ে) সড়কের একপাশ কেটে ট্রাক চলাচলের জন্য রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। তার একটু দূরে মাঠের একটি খালের এপার থেকে ওপারে চলাচলের জন্য খালে মাটি ভরাট করে রাস্তা বানানো হয়েছে। এতে ওই খালের পানি এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যেতে পারছে না। ফলে পানির অভাবে খালের অন্য পাশের জমিতে সেচ দিতে পারছে না কৃষকরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাঠালবাড়ি গ্রামের মাঠে ওই গ্রামের মৃত মনতাজের মন্ডল ও একই স্থানে ওই গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের প্রায় দুই বিঘা ভিটেমাটি জমির মাটি-বালু বিক্রি করেছে বালু ব্যবসায়ীদের কাছে। গভীর করে মাটি ও বালু উত্তোলন করায় পাশের জমি হুমকির মুখে পড়েছে। একটু বৃষ্টি হলে পাশের জমি ধসে পড়বে। পাঁচ-সাতজন কৃষক জানান, বালু ব্যবসায়ীরা দুই-তিন বিঘা জমি ক্রয় করে শ্রমিক লাগিয়ে মাটি ও বালু উত্তোলন শুরু করেছে। তারা প্রতিদিন ৫০-৬০ গাড়ি করে বালু ও মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। খুব গভীর থেকে মাটি উত্তোলন করায় আশেপাশের জমি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে ফলে অন্য জমির মালিকরা বাধ্য হয়ে ওই বালু ব্যবসায়ীদের কাছে কম দামে কৃষি জমি বিক্রি করে দিবে। স্থানীয় প্রশাসন যদি এখনি পদক্ষেপ না নেয় তাহলে হয়তো আমাদের জমিও বিক্রি করতে বাধ্য হবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালাহ্উদ্দিন আহমেদ বলেন, খাল ভরাট করে রাস্তা তৈরি করে বালু উত্তোলনের খবরটি আমার জানা ছিল না। আমি এখনি লোক পাঠিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।