এফএ কাপ

বড় জয়ে পঞ্চম রাউন্ডে সিটি

 

স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যানচেস্টার সিটি এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে বার্নলিকে ৫-০ গোলে হারিয়ে পরের রাউন্ডে পা দিয়েছে। দলের এমন পারফরম্যান্সের পর কোচ পেপ গার্দিওলা ভূয়সী প্রশংসা করেন পুরো দলের।

২৩ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল জেসাসের লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যাওয়া সিটি প্রথমার্ধ বিরতিতে যায় সেই ব্যবধানেই। ৫৩তম মিনিটে বার্নার্ডো সিলভার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে। এর মিনিট দশেক পর গোলের খাতায় নাম লেখান কেভিন ডি ব্রুইন। ৭৩ মিনিটে ডি ব্রুইনের ক্রস বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন বার্নলি খেলোয়াড় কেভিন লঙ। ৮৫ মিনিটে সফরকারীদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন সার্জিও আগুয়েরো।

ঘরের মাঠে এই জয়ের পর গার্দিওলা বলেন, ‘মানসিক ও শারীরিক খেলায় দলের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মানসিকতা দেখে আমি বেশ খুশি।’

তবে বড় জয়ের পরেও তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন না সিটি কোচ। জানালেন দলে উন্নতির জায়গা দেখছেন তিনি। স্প্যানিশ কোচের ভাষায়, ‘আমাদের এখনো বেশ কিছু জায়গায় উন্নতি সাধন করতে হবে, কিন্তু এই ম্যাচে আমরা বেশ ভালো কিছু আক্রমণ করেছিলাম। পরের রাউন্ড এবং সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ড্র-তে টিকে থাকতে পেরে আমি বেশ সন্তুষ্ট।’

মৌসুমের শুরুতে বেশ বড় ইনজুরিতে পড়েছিলেন ডি ব্রুইন। সেটা কাটিয়ে ফিরেছেন কিছুদিন আগে। এই ম্যাচে বেশ সপ্রতিভ ছিলেন বেলজিয়ান এই মিডফিল্ডার। নিজে এক গোল করলেন, সতীর্থ বার্নার্ডো সিলভাকে দিয়ে করালেন আরেকটি। চাইলে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলে সহায়তার দাবিও তুলে বসতে পারেন সিটি মিডফিল্ডার! তার ক্রসকেই যে ভুল করে নিজেদের জালে জড়িয়েছিলেন বার্নলি ডিফেন্ডার। ডি ব্রুইনের এমন নৈপুণ্যকেও বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখলেন গার্দিওলা।

গার্দিওলার ভাষায়, ‘আমরা তার গুণ সম্পর্কে জানি। বড় সময়ের ইনজুরি কাটিয়ে আসা খেলোয়াড়দের জন্য ছন্দ ও গতিময় ফুটবল খেলাটা বেশ কঠিনই। এ কারণেই আমরা খেলোয়াড়দের খেলার সময়ের ব্যাপারগুলো সামলানোর সাধ্যমতো চেষ্টা করি। এবং তা আমরা করে থাকিও।’

তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই, এই ম্যাচে আমরা জানতাম কেভিন কি করতে পারে। তাকে প্রয়োজন ছিল আমাদের, কেননা সে চতুর এবং খেলায় সে বেশ আগ্রাসীও। দলকে অনেক সাহায্য করে সে।’