ইত্তেফাক রিপোর্ট
সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের চোরাচালান নির্মূলই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ, এসব সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিবন্ধক। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) আছাদুজ্জামান মিয়া।
তিনি বলেন, এখন উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। সুশাসন নিশ্চিত করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে হবে। ক্র্যাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বর্তমান সভাপতি অত্যন্ত স্পষ্টভাষী ও পেশাদার একজন সাংবাদিক। অতীতে সাংবাদিকদের সাথে তুচ্ছ ঘটনায় পুলিশের মনোমালিন্যের ঘটনা ঘটলেও এখন এগুলো শুধুই অতীত। এখনকার সম্পর্ক অনেক চমত্কার। বর্তমানে সাংবাদিকতা পেশায় আপনারা আমূল পরিবর্তন এনেছেন। হলুদ সাংবাদিকতা এখন জাদুঘরে। নবীন, কর্মঠ ও শিক্ষিত তরুণরা সাংবাদিকতা পেশাকে বেছে নিয়েছেন। যা আমাদের সাংবাদিকতা পেশার জন্য ভালো দিক। সব অবস্থায় দেশ ও জাতির স্বার্থে কাজ করতে হবে। আমাদের অনেক আন্তর্জাতিক মানের ভালো সাংবাদিক রয়েছেন। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করব। ডিএমপি’র সর্বোচ্চ সমর্থন আপনাদের পাশে থাকবে।
ক্র্যাবের সভাপতি আবুল খায়ের তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ৩৫ বছরে চাকরি জীবনে পুলিশের সাথে আমি কাজ করে যাচ্ছি। ক্র্যাব পুলিশের সাথে পরিবারের মত কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশের সাথে মিডিয়ার সম্পর্ক খুবই চমত্কার। আধুনিক যুগে পুলিশের সাথে মিডিয়ার যে সম্পর্ক তা ভবিষ্যতে অনেক দূরে এগিয়ে যাবে। আমরা আশা করি আমাদের এই কমিটি চলমান সময়ে পুলিশের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করবে। দেশের স্বার্থে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে আমরা লিখি। শক্ত করে লিখি দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে বাঁচাতে। অতীতের মত ক্র্যাবের সাথে পুলিশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।
ডিএমপি’র সদর দফতরে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) শাহাবুদ্দিন কোরেশী, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায়, জয়েন্ট কমিশনার (ক্রাইম) শেখ নাজমুল আলম, ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান এবং ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ার, সহ-সভাপতি মিজান মালিকসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা।