আফগানিস্তান থেকে ১৮ মাসের মধ্যে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার

তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় আফগানিস্তান থেকে ১৮ মাসের মধ্যে সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করার ব্যাপারে সমঝোতা হয়েছে। তালেবানের এক মুখপাত্র বলেছেন, সমঝোতার বিষয়ে একটি খসড়া চুক্তিও তৈরি করা হয়েছে। এর আগে তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সন্ত্রাসবাদে মদদ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এখন পর্যন্ত কোনো যৌথ ঘোষণা না আসলেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নিয়োজিত বিশেষ প্রতিনিধি জালমাই খালিলজাদ এক টুইটার বার্তায় জানান, সমঝোতা প্রক্রিয়ায় ‘বিশেষ অগ্রগতি হয়েছে।’ কাতারে ছয়দিনের বৈঠক শেষে তিনি লিখেন, ‘আগের বৈঠকগুলোর তুলনায় এবারের আলোচনা অনেক বেশি ফলপ্রসূ হয়েছে। আর সমঝোতার সবকিছুই নির্ভর করছে পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়া এবং অস্ত্রবিরতি কার্যকরের ওপর।’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক টুইটার বার্তায় লিখেছেন, তিনি খালিলজাদের কাছ থেকে সমঝোতার বিষয়ে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক তথ্য জেনেছেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আসলেই শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আফগানিস্তান যেন আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের প্রশ্রয়দাতা হয়ে না ওঠে। তাছাড়া আমরা সেনাদেরও ঘরে ফিরিয়ে নিতে চাই।’

অপরদিকে তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, ‘বিদেশি সেনা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত, আলোচনায় কোনও অগ্রগতি অসম্ভব।’ প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব বারবার ফিরিয়ে দেয় তালেবান। তাদের ধারণা, ‘প্রধান শত্রু’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেই আলোচনা ছাড়া অগ্রগতি সম্ভব নয়।