নেপালে উত্পাদিত বিশেষায়িত সুতা বাংলাদেশে রপ্তানির আগ্রহ দেখিয়েছে দেশটি। প্রতিযোগিতামূলক দর হওয়ায় এবং অপেক্ষাকৃত কম সময়ে রপ্তানির সুযোগ থাকায় তা বাংলাদেশি আমদানিকারকদের জন্য সুবিধাজনক হবে বলে মনে করছে দেশটি। গতকাল সোমবার ঢাকা সফররত নেপালের সুতা উত্পাদনকারীদের প্রতিনিধিরা বাংলামটরের প্ল্যানার্স টাওয়ারে বিকেএমইএ’র অফিসে সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠককালে এ আগ্রহের কথা জানান। এ সময় ঢাকায় নেপালের রাষ্ট্রদূত ধন বাহাদুর ওলি উপস্থিত ছিলেন। তবে সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের অবকাঠামোসহ উন্নয়নসহ বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করার তাগিদ দিয়েছেন তারা। বৈঠকে বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মনসুর আহমেদ, ফজলে শামীম এহসান ছাড়াও অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জানানো হয়, সম্প্রতি নেপাল তাদের চারটি স্পিনিং কারখানার সাহায্যে পলিয়েস্টার, ভিসকস, ল্যাকরাসহ কয়েক ধরনের সুতা উত্পাদন করছে। এসব সুতা ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক দামে বাংলাদেশ পেতে পারে। বৈঠক শেষে বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান ইত্তেফাককে বলেন, নেপালের সবগুলো প্রতিষ্ঠান মিলে যে সুতা উত্পাদন করে, তা আমাদের দেশের চাহিদার ধারে-কাছেও নেই। তবে গতানুগতিক সুতার বাইরে বিশেষায়িত সুতা উত্পাদন করে তারা। প্রতিযোগিতামূলক দর পেলে সেখান থেকে সুতা আমদানি আমাদের জন্য লাভজনক হতে পারে।