ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের উন্নয়নে এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব চেয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, এসএমই খাতের উন্নয়নে আবর্তক তহবিল বৃদ্ধির পরিবর্তে বড় প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সনাতনী দক্ষতার আধুনিকায়ন, গ্রাম পর্যায়ে উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) ফাউন্ডেশন পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠককালে এ প্রস্তাব চান শিল্পমন্ত্রী। শিল্প মন্ত্রণালয়ে গতকাল এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম, এসএমই ফাউন্ডেশন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপার্সন কে.এম. হাবিব উল্লাহসহ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়নে এসএমই খাতে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় চিহ্নিত ১শ’ ৭৭টি এসএমই ক্লাস্টারের আধুনিকায়ণ, উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্য বিপণনে সহায়তা প্রদান, উদ্যোক্তা তৈরি, গ্রাম পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ অন্যান্য বিষয় আলোচনায় স্থান পায়। বৈঠকে এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা দেশব্যাপী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারে আবর্তক তহবিলের পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তারা বলেন, সরকারের দেওয়া ২শ’ কোটি টাকা আবর্তক তহবিলের লভ্যাংশ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে এসএমই কার্যক্রম প্রত্যাশিত পর্যায়ে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, টেকসই এসএমই খাত গড়ে তুলতে হলে, উদ্যোক্তাদের সনাতনী দক্ষতার আধুনিকায়ন জরুরি। এ লক্ষ্যে লাগসই প্রশিক্ষণ, বিপণন সুবিধা সৃষ্টি এবং কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। তিনি এসএমই নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের জন্য ফাউন্ডেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এক্ষেত্রে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।