বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের সেরা চারে খেলা নিশ্চিত করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রংপুর রাইডার্স। ১০ ম্যাচে কুমিল্লার জয় সাতটি। এক ম্যাচ বেশি খেলে রংপুরের জয়ও সাতটি। ১৪ পয়েন্ট করে সংগ্রহ করেছে দুদল।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে গতকাল দিনের প্রথম ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসকে ডিএল মেথডে সাত উইকেটে হারিয়েছিল কুমিল্লা। পরে দ্বিতীয় ম্যাচে রাজশাহী কিংসের বিরুদ্ধে ছয় উইকেটে জয় পায় রংপুর। তাতেই দুদলের প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত হয়।
এদিন ম্যাচ হারলেও চিটাগং-রাজশাহীর সামনে সুযোগ থাকছে সেরা চারে উন্নীত হওয়ার। চিটাগংয়ের বাকি আছে আরও দুটি ম্যাচ। যার একটি জিতলেই তারা উন্নীত হবে সেরা চারে। রাজশাহীর বাকি থাকছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচ জয়ের সঙ্গে রাজশাহীকে তাকিয়ে থাকতে হবে ঢাকা ডায়নামাইটস, সিলেট সিক্সার্স ও চিটাগংয়ের ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকে।
বৃষ্টির কারণে এদিন সাগরিকায় রান বন্যা দেখা যায়নি। দুটি ম্যাচেই রান কম হয়েছে। রংপুরের বিরুদ্ধে আগে ব্যাট করে আট উইকেটে ১৪১ রান তুলেছিল রাজশাহী। লরি ইভান্স ৩৫, কায়েস আহমেদ ২২, ফজলে মাহমুদ ১৮, জংকার ১৬, সৌম্য ১৪, চালর্স ১২ রান করেন। ফরহাদ রেজা তিনটি, নাজমুল অপু-শহীদুল দুটি করে, নাহিদুল একটি করে উইকেট পান।
রাইলি রুশোর হাফ সেঞ্চুরিতে জয় পেতে বেগ পায়নি রংপুর। ১৮.৪ ওভারে চার উইকেটে ১৪৫ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায় মাশরাফির দল। রুশো ৫৫, ডি ভিলিয়ার্স ৩৭, হেলস ১৬, গেইল ১০, নাহিদুল অপরাজিত ১১, মিঠুন অপরাজিত ৪ রান করেন।
এর আগে হোম ভেন্যুতে টানা তৃতীয় ম্যাচ হেরেছে চিটাগং। কুমিল্লার বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে আট উইকেটে ১১৬ রান তুলেছিল চিটাগং ভাইকিংস। ১৭ রানে তিন উইকেট হারানো দলটা আর বিপদ কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তারপরও শাহজাদের ৩৩, নাজিবউল্লাহ জাদরানের ১৩ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের অপরাজিত ৪৩ রানে একশো পার হয়েছিল চিটাগংয়ের স্কোর। কুমিল্লার পক্ষে শহীদ আফ্রিদি ১০ রানে দুটি, সাইফউদ্দিন-ওয়াহাব রিয়াজ দুটি করে উইকেট পান। জবাবে তামিম ইকবালের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৬.৪ ওভারে তিন উইকেটে ১১৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় কুমিল্লা। তামিম অপরাজিত ৫৪ রান করেন। শামসুর ৩৬, থিসারা পেরেরা অপরাজিত ১০ রান করেন। কুমিল্লার শহীদ আফ্রিদি ম্যাচ সেরা হন।