ঋণ নিয়ে কেন খেলাপি হয়ে পড়ছেন উদ্যোক্তারা

ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের ভার ক্রমেই বাড়ছে। খেলাপি ঋণ কমাতে নানা নীতি ঘোষণা দিলেও কার্যত তা কমছে না। কিন্তু ঋণ কেন খেলাপি হয়—এ বিষয়ে উদ্যোক্তারাও নানা কথা বলেছেন। ইত্তেফাকের অনুসন্ধানে বেশ কিছু পদ্ধতিগত জটিলতার বিষয়টিও উঠে এসেছে, যা মোকাবিলা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যাংকিং সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্যমতে, পদ্ধতিগত কারণেই ব্যাংকিং খাতে ঋণখেলাপির সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে ব্যাংকের ভুলের কারণে শিল্পোদ্যোক্তারা ঋণখেলাপি হয়ে পড়ছেন। আর একটি প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হলে ধীরে ধীরে পতনের দিকে চলে যায়। এতে শুধু ঐ কারখানাই শেষ হয়ে যায় না, একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পও শেষ হয়ে যায়। ব্যাংকের বিনিয়োগও আটকা পড়ে। শেষ পর্যন্ত দেশের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এদিকে সমাজের আরেক শ্রেণির ব্যবসায়ী রয়েছেন, যারা ইচ্ছেকৃতভাবেই খেলাপি হন। তারা অযাচিত হস্তক্ষেপ করে ঋণ অনুমোদনসহ সরকারের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা ভোগ করছেন। এ অবস্থায় প্রকৃত উদ্যোক্তারা খেলাপি হয়ে যাচ্ছেন। তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়া এবং দেউলিয়াত্বের পথে হাঁটা ছাড়া কোনো উপায় থাকছে না।

সাধারণ মানুষ মনে করেন, শিল্পপতিরা ঋণ নিয়ে বিদেশে অর্থ পাচার এবং গাড়ি-বাড়ি কিনে বিলাসিতা করেন। অল্প কয়েক জন এমন করলেও অধিকাংশের ঘাড়ে দোষ চলে যায়। একজন শিল্পপতি এক দিনে তৈরি হয় না। তাকে তৈরি হতে কমপক্ষে এক থেকে দেড় যুগ সময় লেগে যায়। একজন শিল্পপতি তার পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাংকের ঋণ গ্রহণ করে ব্যবসা শুরু করতে চান। তিনি প্রোজেক্ট প্রোফাইলের মাধ্যমে প্রাক্কলিত মোট ব্যয়ের ৭০ শতাংশ জমি বা সম্পদ বন্ধকের বিপরীতে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেন এবং ৩০ শতাংশ নিজের অর্থ জোগান দিয়ে শিল্প স্থাপন করেন। হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন একজন উদ্যোক্তা বা শিল্পপতি।

ইচ্ছাকৃত খেলাপির বাইরে অন্য খেলাপি ঠেকাতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উদ্যোগ এবং বড় ধরনের নীতি সংস্কারের কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, ঋণখেলাপি বেড়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও নীতিই দায়ী বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী। তিনি বলেন, লাগসই নীতি গ্রহণ না করলে পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটানো সম্ভব নয়।

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, একজন উদ্যোক্তা এক দিনে তৈরি হন না। উদ্যোক্তা দেশের অর্থনীতিতে যে ভূমিকা রাখেন, সে বিষয়টি কখনো কখনো গুরুত্ব পায় না। অথচ ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কটা যদি ভালো হয়, তাহলে কোনো প্রকল্পই বন্ধ হয় না।  ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিস্টেমের কারণেই মূলত উদ্যোক্তারা খেলাপি হয়ে যাচ্ছেন। এসএমই ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলী জামান বলেন, সহজ বিষয়টিকে জটিল করে উপস্থাপনসহ সদিচ্ছার অভাবেই ঋণখেলাপি হয়ে যাচ্ছে। একজন উদ্যোক্তা কোনো কারণে কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলে ব্যাংক তাকে স্থায়ীভাবে আটকে দেয়। এতে কিন্তু ব্যাংকও আটকে যায়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ব্যাংকাররা ভাবেন না।

অস্বাভাবিক সুদ আরোপ :দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা, বেকারত্ব হ্রাস, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ইত্যাদির লক্ষ্যে শিল্পপতিরা ব্যাংক থেকে ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে শিল্প স্থাপন করেন। ওভারডিউ হয়ে গেলে সুদের হার ২ থেকে ৩ শতাংশ যোগ হয়ে যায় এবং ব্যাংকের বিভিন্ন চার্জসহ দাঁড়িয়ে যায় প্রায় ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ। লিজিং কোম্পানি থেকে ঋণ নিলে তা আরো বেশিতে দাঁড়ায়। যদিও সরকারিভাবে সিঙ্গেল ডিজিট বা ৯ শতাংশ সুদের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে প্রকৃতপক্ষে তা পান না শিল্পোদ্যাক্তারা।

সুদের ওপর সুদ :গ্রাহকেরা সাধারণত ঋণের বিপরীতে কিস্তি জমা প্রদান করে থাকেন। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবসা করতে না পারায় অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে কিস্তি পরিশোধ করতে পারেন না তারা। তখন ব্যাংক উদ্যোক্তাদের জমাকৃত কিস্তিকে প্রথমে প্রায় পুরো টাকাই সুদ হিসেবে সমন্বয় করে এবং আসল সমন্বয় করে সামান্য। যে কারণে দেখা যায় ১০০ টাকার ঋণ নিলে ৩০ টাকার কিস্তি পরিশোধ করলেও বছর শেষে ব্যাংক ওই উদ্যোক্তার কাছে ১৪০ টাকা পাওনা থাকে। চক্রবৃদ্ধি হারে ধার্য করা সুদ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে উদ্যোক্তারা খেলাপি হয়ে পড়েন।

ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ :ঋণখেলাপি হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বা চলতি মূলধন ঋণ। শিল্পোদ্যোক্তাদের ফ্যাক্টরি স্থাপন, মেশিনারিজ আমদানি ও ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের জন্য শত কোটি টাকা ঋণ দেয় ব্যাংক। তবে কোনো ধরনের দুর্যোগ বা কোনো সমস্যা তৈরি হলে ব্যাংক ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ প্রদানের সময় গড়িমসি শুরু করে। প্রয়োজনীয়তাকে বিবেচনায় না নিয়ে ব্যাংক তখন তাদের ইচ্ছামতো এই ঋণ দেয়। এক্ষেত্রে আগের লিমিটও মানা হয় না। তখন টার্গেট অনুযায়ী রপ্তানি করার মতো প্রয়োজনীয় মেশিনপত্র থাকা সত্ত্বেও ব্যাংক প্রয়োজনীয় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল না পাওয়ায় কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।

উচ্চহারে ডাউন পেমেন্ট :বিভিন্ন কারণে উদ্যোক্তারা খেলাপি হয়ে পড়েন। তখন তা পুনঃ তপশিল বা পুনর্গঠন করতে উচ্চহারে ডাউন পেমেন্ট দিতে হয়। অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের পক্ষে মেয়াদি ঋণ পুনঃ তপশিল করতে না পেরে ধীরে ধীরে রুগ্ণ শিল্পে পরিণত হয়ে যায়।

জ্বালানি সংকট :করোনার কারণে এমনিতেই ব্যবসা বাণিজ্য অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে। এর ওপরে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যার কারণে উত্পাদন ক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করতে পারছে না উদ্যোক্তারা। ফলে কারখানা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঢাকা ও আশপাশের এলাকার শিল্প কারখানাগুলোর মালিকরা জানিয়েছেন, গ্যাস-বিদ্যুত্ সমস্যার কারণে উত্পাদন ব্যাপকহারে বিঘ্নিত হচ্ছে। নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুতের সরবরাহ না থাকায় পণ্যের মানও খারাপ হচ্ছে, যা রপ্তানি বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। 

ডলারের দাম বৃদ্ধি :টাকার তুলনায় ডলারের দাম বেড়ে গেলে ঋণের বিপরীতের শিল্প-উদ্যোক্তাদের বেশি পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এতে ক্ষতিতে পড়েন ব্যবসায়ীরা। ঋণ নেওয়ার সময় যদি ডলারের দাম ৪০ টাকা থাকে, পরবর্তীকালে তা দ্বিগুণ হয়ে উদ্যোক্তার ঘাড়েই বর্তায়। বাড়তি এই ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে গিয়েও উদ্যোক্তাকে হিমশিম খেতে হয়।

সিআইবি রিপোর্ট :একই গ্রুপের বা উদ্যোক্তার একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান থাকতে পারে। তার মধ্যে একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান যে কোনো কারণেই সাময়িকভাবে ব্যাংক কর্তৃক খেলাপি হতে পারে। তখন ঐ গ্রুপ বা ব্যক্তির অন্যান্য ভালো শিল্পপ্রতিষ্ঠান খেলাপি না হওয়া সত্ত্বেও সেসব প্রতিষ্ঠানকে কোনো ঋণ দেওয়া হয় না। এতে অশ্রেণিবিন্যাসিত ভালো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও দ্রুত ঋণ খেলাপির দিকে ধাবিত হয়।

গ্রাহকের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক :কোনো গ্রুপের সহযোগী শিল্পপ্রতিষ্ঠান এর একটি হিসাব একটি ব্যাংকে শ্রেণিবিন্যাসিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অন্য ব্যাংকগুলোকে কোনো রকম আর্থিক সহায়তা না করার জন্য লিখিতভাবে অনুরোধ জানায়। ফলে, ঐ গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান খেলাপি না হওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অপারগতা প্রকাশ করে। এতে একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান যৌক্তিক কারণে সাময়িক খেলাপি হওয়ায় ঐ গ্রুপের অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান খেলাপি না হওয়া সত্ত্বেও অসুবিধার সম্মুখীন হয়।

বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক :ঋণখেলাপি হওয়ার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকরাও অনেকাংশে দায়ী। লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বেসরকারি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকরা পরিচালকদের আত্মীয়স্বজন কিংবা পরিচিত লোকজন। যে কারণে তাদের দক্ষতা না থাকা সত্ত্বেও ব্যবস্থাপকের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। যে কারণে গ্রাহকের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধ কম থাকে। একইভাবে সরকারি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকরাও গ্রাহকের প্রতি উদাসীন আচরণ করে থাকে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক :অনেক সময় দেখা যায় বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা বিদেশি ব্যাংকের অভিজ্ঞতা নিয়ে আসেন কিংবা বিদেশি ব্যাংকারদের নিয়োগ দেন। বিদেশি ব্যাংকগুলোতে কাজের পরিধি থাকে কম। যে কারণে দেশের বিরাট ভলিউমের কাজ সঠিক দক্ষতার অভাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা পেরে উঠেন না। অথচ, তারা তাদের উচ্চতর বেতন ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছে নিয়মিত। তাদের চিন্তা থাকে সমস্যা হলে গ্রাহকের হবে। যে কারণে ঋণ আদায়ে তাদের সঠিক তদারকির অভাবে এবং গ্রাহকের প্রকৃত সমস্যা অনুধাবন না করায় গ্রাহক সঠিকভাবে ব্যবসা করতে পারে না। ফলে, গ্রাহকেরা ধীরে ধীরে ঋণখেলাপির দিকে ধাবিত হয়। সম্প্রতি এক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্তৃক ঐ ব্যাংকের গ্রাহক এক বস্ত্রকারখানার মালিককে সহযোগিতা না করে বরং ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে চাপ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেছেন, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পরিচালনা পর্ষদ থেকে আলাদা করা হলেও কার্যত তা আলাদা নয়। পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কিংবা স্পন্সর পরিচালকদের বাইরে গিয়ে বিশেষত বেসরকারি ব্যাংকে কিছু করা যায় না।

বাংলাদেশ ব্যাংক :অনেক সময় ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক মনে করে যে, খেলাপি ঋণগ্রহীতাকে আরো কিছু ঋণ প্রদান ও সময় বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রকল্পটি লাভজনক পর্যায়ে উন্নীত করে সমুদয় ঋণ আদায় করা সম্ভব হবে। সে কারণে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক গ্রাহকের ক্যাশ ফ্লো অনুযায়ী ৫/৭/৮ বছরের জন্য ঋণ পুনঃ তপশিলের আবেদন সুপারিশসহ বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করে। কিন্তু, বাংলাদেশ ব্যাংক সে মোতাবেক সময় বৃদ্ধি অনুমোদন না দিয়ে বরঞ্চ সুপারিশকৃত সময় কমিয়ে দেয়, গ্রেস পিরিয়ড কমিয়ে দেয়। কখনো বা ডাউনপেমেন্টের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এসব কারণে ব্যবসায়ী বা গ্রাহক পুনরায় ঋণ খেলাপির দিকে ধাবিত হতে থাকে। এক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংককে দোষারোপ করে।

কম্প্রোমাইজড অ্যামাউন্ট :ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা পুনঃ তপশিল করা সত্ত্বেও কম্প্রোমাইজড অ্যামাউন্টের টাকা জমা দিতে না পারায় তারা পুনরায় ঋণখেলাপি হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে দেশের বস্ত্রখাত সংশ্লিষ্ট সংগঠনসমূহ বিজিএমইএ, বিটিএমএ ও এফবিসিসিআই নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীগণ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরও অবহিত রয়েছেন। কিন্তু কোনো সুরাহা মিলছে না। বিকেএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কম্প্রোমাইজড অ্যামাউন্টের বাড়তি চাপ না থাকলে অনেক উদ্যোক্তাকে খেলাপির তকমা মাথায় নিতে হতো না।

সর্বশেষ তথ্যমতে, বিশেষ সুবিধা এবং ছাড় দেওয়ার ফলে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ কিছুটা কমে এসেছে। তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ পাঁচ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা কমে ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ; যা সেপ্টেম্বর মাস শেষে ছিল ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ।