সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেছেন, হাওর রক্ষা বাঁধে কোনো অনিয়ম হলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হাওর রক্ষা বাঁধের উপর দেশবাসীর জীবন-জীবিকা নিহিত। শতভাগ কাজ করলে শতভাগ টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে তিনি বলেন, সরকার যথেষ্ট পরিমাণ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় দিরাই উপজেলা পরিষদ গণমিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সভাপতি শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক শরিফুল ইসলাম, জেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, দিরাই প্রেসক্লাব সভাপতি হাবিবুর রহমান তালুকদার, এপিপি অ্যাডভোকেট সোহেল আহমদ, পাউবোর শাখা কর্মকর্তা রিপন আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজ উদ দৌলা তালুকদার, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান শিবলী আহমদ বেগ, এহসান চৌধুরী, রেজুয়ান খান, আব্দুল কুদ্দুস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সৈয়দ তহুর আলী, আলাউর রহমান প্রমুখ। মতবিনিময়কালে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা হাওর রক্ষা বাঁধের কাজে প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম হয়েছে বলে অভিযোগ করে বলেন, হাওরে শ্রমিক সংকট রয়েছে। পাউবোর নির্ধারিত প্রাক্বলন মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে বাঁধে মাটি কাটা হচ্ছে। মতবিনিময় সভা শেষে বেলা আড়াইটার দিকে বিভিন্ন বাঁধ পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক শরিফুল ইসলাম। উদগল হাওরের মাছুয়ার খারার ৩৯নং প্রকল্পের কাজ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরিফুল ইসলাম। প্রকল্পটি অনেকটাই অপ্রয়োজনীয়, বাঁধে মাটি ড্রেসিং করা হচ্ছে না। চাকা মাটি সরিয়ে দুর্মুজের মাধ্যমে কমপেক্ট করে মাটি ফেলার নির্দেশ প্রদান করেন তিনি। অন্যথায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে ঘোষণা দেন।