বগুড়ার শেরপুরে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৫মে) সকালে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এরআগে সোমবার (২৪ মে) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এরা হলেন- উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চকসাদি গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে আসলাম হোসেন (৩৯), একইগ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে সোহাগ হোসেন (২৫) ও নুরুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২৫)। আর এই ঘটনায় সহযোগিতার দায়ে বেল্লাল হোসেনের স্ত্রী রাশেদা বেগমকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চকসাদী গ্রামের আব্দুল মোমিনের কিশোরী মেয়ে বিগত ১৩ মে দিনগত রাত অনুমান নয়টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাড়ির প্রধান ফটকে বের হন। এসময় আগে থেকেই ওঁৎ পেতে বসে থাকা অভিযুক্তরা ওই কিশোরীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ের মধ্যে তুলে নিয়ে যায়। সেইসঙ্গে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এসময় ভুক্তভোগী কিশোরী চিৎকার শুরু করলে তারা পালিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া উক্ত ঘটনায় থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। মামলা নং-৩৭। পাশাপাশি মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। এজন্য সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে বগুড়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইত্তেফাক/এমএএম