যাদুকরী ঘূর্ণিতে এবার ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে সাজঘরে পাঠালেন সাকিব আল হাসান। এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হওয়ার আগে মাত্র ৬ রান করেন ধনাঞ্জয়া।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৩৪ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান। আর ৩টি উইকেট পেলেই কাঙ্খিত সিরিজ জিতবে টাইগাররা।
এর আগে রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি লঙ্কান সহ-অধিনায়ক কুসল মেন্ডিস। মেহেদী হাসান মিরাজের বল মেন্ডিসের প্যাডে আঘাত করে। ফিল্ডারদের জোড়ালো আবেদন আউট দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েছিলেন মেন্ডিস। কিন্তু পাল্টায়নি সিদ্ধান্ত।
সাকিবের ঘূর্ণিতে তৃতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। পুল করতে গিয়ে মিডউইকেটে তামিমের হাতে ধরা পড়েন পাথুম নিসানকা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন দানুশকা গুনাথিলাকা ও পাথুম নিসানকা। তাদের ২৯ রানের জুটি ভেঙে স্বস্তি এনে দিয়েছেন মোস্তাফিজ। অফের বল ডিপ অনে স্কয়ার কাট করেছিলেন গুনাথিলাকা। বলটি দারুণ দক্ষতায় তালুবন্দি করেন সাকিব।
শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক কুশল পেরেরাকে সাজঘরে পাঠিয়ে ক্যারিয়ারের অভিষেক উইকেট পান শরিফুল ইসলাম। আউট হওয়ার আগে পেরেরা ১৫ বলে ১৪ রান করেন। এদিন বাংলাদেশের ১৩৬তম ওয়ানডে ক্রিকেটার হিসেবে শরিফুলের অভিষেক হয়। তাকে ক্যাপ পরিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে ব্যাট হাতে শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি টাইগারদের। দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানকে হারায় স্বাগতিকরা। দলীয় রান ৫০ ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফিরেন লিটন দাস। এরপর ১০ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মোসাদ্দেকও। এর পর দলের হাল ধরেন মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। দুই ভায়েরা মিলে ৮৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। কিন্তু নিজের ইনিংসকে লম্বা করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। ব্যক্তিগত ৪১ রান করে তিনি আউট হন। এর পর দ্রুত ফিরে গেছেন আফিফ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ।
তবে প্রথম ম্যাচে ১৬ রানের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফিরলেও দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিককে হতাশ হতে হয়নি। তুলে নিয়েছেন নিজের অষ্টম সেঞ্চুরি। আউট হওয়ার আগে তিনি ১২৭ বলে ১২৫ রান করেন। দলের বিপর্যয়ে একাই বুক চিতিয়ে লড়েছেন মুশফিক। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ফলে শ্রীলঙ্কাকে ২৪৭ রানের টার্গেট দিতে পারে বাংলাদেশ।
ইত্তেফাক/ইউবি