রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘তিনানমেন গণহত্যা দিবস’ উদযাপন করা হয়েছে। ১৯৮৯ সালের এই দিনে সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা চালিয়ে গণহত্যা চালায় চীনা সামরিক বাহিনী। যা ইতিহাসের এক ট্রাজেডি হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
শুক্রবার (৪ জুন) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে মানববন্ধন, পোস্টার, ফটো এক্সিবিশন, ফেসবুক লাইভ প্রোগ্রামের আয়োজন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং বেসামরিক নাগরিকরা। অনুষ্ঠানগুলোতে ১৯৮৯ সালে চীনা সেনাদের দ্বারা তিয়ান্মেন গণহত্যার সময় নির্মম হত্যাকান্ড, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো তুলে আনা হয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষোভে নিহত শিক্ষার্থীসহ চীনা সেনাদের নির্যাতনে হতাহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
সন্ধ্যায় ‘তিনানমেন স্কয়ার বিদ্রোহ’ থিমে পথনাট্যের আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নাট্যগ্রুপ। তাদের ব্যানারে লেখা ছিল হ্যাশট্যাগ ‘বয়কট শীতকালীন অলিম্পিক বেইজিং-২০২২’। পরে শাহবাগ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত মোমবাতি মিছিল করে তারা।
তিনানমেন গণহত্যা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে নাগরিক স্বাধীনতা মঞ্চ। যেখানে পাঁচ শতাধিকের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছে। বাইতুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গনে মানববন্ধন করেছে সম্মিলিত ইসলামি ঐক্যজোট। সেখানে প্রায় ৩০০ জন অংশগ্রহণ করে।
এ ছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে পথনাট্য হয়েছে। ওপেন ডায়লগ বাংলাদেশের আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একটি পথনাট্য অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উইঘুর ও তিনানমেন গণহত্যা স্মরণে পারফরমারদের কালো মাস্ক পরতে দেখা গেছে। এর বাহিরে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফটো এক্সিবিশনের আয়োজন করেছে বিশ্ব সামাজিক কল্যাণকর ফাউন্ডেশন (ডব্লিউএসডব্লিউএফ)।
ইত্তেফাক/টিএ