লামা (বান্দরবান) সংবাদদাতা
লামা উপজেলায় চলতি মৌসুমে আখের ভালো ফলন হয়েছে। অনেক তামাক চাষি বিকল্প হিসাবে আখের চাষ করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় ইক্ষু গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সুগার গ্রুপ গবেষণা ইন্সটিটিউট পরীক্ষামূলকভাবে চাষিদের প্রর্দশনীর মাধ্যমে আখ চাষ করাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সুগার গ্রুপ গবেষণা ইন্সটিটিউট বান্দরবানের বৈজ্ঞানিক সহকারী বসন্ত তঞ্চগ্যা জানান, চাষিরা দিন দিন ইক্ষু চাষে আগ্রহী হচ্ছে। চলতি মৌসুমে শিলেরতুয়া, দরদরী ইব্রাহিম লিডার পাড়া, সাবেক বিলছড়ি, হাফেজ পাড়া, হরিণঝিরি, বগারঝিরি, মানিকজন ত্রিপুরা পাড়া, মধুঝিরি, লামামুখ ও আলীকদমের সিরাজ কারবারী পাড়া, আনোয়ার হোসেন পাড়া, ছাবের মেম্বার পাড়া, ইয়াংছা বদুরছড়া এলাকায় প্রর্দশনীর মাধ্যমে ইক্ষু চাষ করা হয়েছে। প্রতিজন চাষি ৩৩ শতক জমিতে প্রর্দশনী প্লট করেছে।
লামা পৌরসভার লাইনঝিরি এলাকার চাষি আব্দুল হানিফ জানান, তিনি ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার আখ বিক্রয় করার আশা করছেন। ইক্ষু চাষি হানিফ আরো জানান, আখ উত্পাদন করলেও বাজারজাত নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। ক্রেতা না পাওয়ায় আখের উপযুক্ত মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে তিনি জানিয়েছেন। হানিফ আরো জানান, তামাকের ক্ষতিকারক দিক থাকলেও ইক্ষু চাষে কোনো ক্ষতিকারক দিক নেই।
ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ক্যাচেন জানান, লামায় আখের ভালো ফলন হয়েছে। পাইলট ভিত্তিতে প্রদর্শনীর মাধ্যমে আখ চাষ করা হচ্ছে। প্রদর্শনী ও গবেষণার মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম চলছে।