কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-ঢাকা ডায়নামাইটসের নখ কামড়ানো লড়াইয়ে বিনোদিত হয়েছিল শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের দর্শককুল। গতকাল শেষ ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বীরত্বে শ্বাসরোধী উত্তেজনার ম্যাচে কুমিল্লা ১ রানে হারিয়েছে ঢাকাকে। ১১ ম্যাচে আট জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে কুমিল্লা। সমান সংখ্যক ম্যাচে ষষ্ঠ হারে বিপাকে পড়েছে ঢাকা। প্লে-অফে খেলতে আজ খুলনা টাইটান্সের বিরুদ্ধে জিততেই হবে দলটিকে।
পরে ফ্লাড লাইটের কৃত্রিম আলোয় অনেকটা নিরুত্তাপ ম্যাচে গতকাল সিলেট সিক্সার্স ২৯ রানে পরাজিত করেছে চিটাগং ভাইকিংসকে। পাঁচ জয় নিয়ে বিপিএলের ষষ্ঠ আসর শেষ করলো সিলেট। ১২ ম্যাচে ৭ জয়ে লিগ পর্ব শেষ হলো চিটাগংয়ের।
আন্দ্রে ফ্লেচারের হাফ সেঞ্চুরিতে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৬৫ রানের পুঁজি গড়েছিল সিলেট। ফ্লেচার ৬৬, সাব্বির ৩২, নওয়াজ ৩৪ রান করেন। চিটাগংয়ের প্রোটিয়া পেসার ভিলোয়েন ২৯ রানে চার উইকেট নেন। জবাবে ১৮.৩ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয় চিটাগং। মুশফিক ৪৮, ইয়াসির আলী ২৭, মোসাদ্দেক ২৫ রান করেন। সিলেটের এবাদত হোসেন চারটি, পারনেল দুটি করে উইকেট নেন।
এ দিকে গতকাল ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গিয়ে বাঁ পায়ে ব্যথা পেয়েছেন সিলেটের পেসার তাসকিন আহমেদ। সঙ্গে সঙ্গে তার পায়ের স্ক্যান করাতে মিরপুরের ডিজিল্যাব হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
এর আগে দিনের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে কুমিল্লা ১২৭ রানে অলআউট হয়। ওপেনিংয়ে ৩৮ রানের জুটির পরও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। শেষ দিকে মেহেদী হাসানের ২০, মোশাররফ হোসেন রুবেলের ১৬ রানে একশ পার হয় কুমিল্লার স্কোর। তামিম ৩৮, শহীদ আফ্রিদি ১৮ রান করেন। ঢাকার পক্ষে রুবেল চারটি, সাকিব-নারিন দুটি করে, শুভাগত হোম একটি করে উইকেট পান।
লো স্কোরিং ম্যাচটা জমিয়ে দেন কুমিল্লার বোলাররা। সাইফউদ্দিনের বোলিং তোপে ৯ উইকেটে ১২৬ রান তুলতে সমর্থ হয় ঢাকা। শেষ ওভারে ১৩ রান দরকার ছিল, উইকেটে ছিলেন আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু ১১ রানের বেশি দেননি সাইফউদ্দিন। রাসেল অপরাজিত ৩০, পোলার্ড ৩৪, নারিন ২২, মিজানুর ১৬ রান করেন। ২২ রানে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন সাইফউদ্দিন।