ফুলবাড়ি (দিনাজপুর) সংবাদদাতা
ফুলবাড়ি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চার মাস ধরে বেতন-ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হওয়া এ পৌরসভার আয়তনের দিক থেকে ছোট হওয়ায় রাজস্ব আয় একেবারে কম। প্রধান হাট-বাজার ও অন্যান্য খাত থেকে পাওয়া আয় দিয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে হয়।
পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. লুত্ফুল হুদা চৌধুরী লেমন বলেন, অর্থ সংকুলানের অভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত চার মাসের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। হাট-বাজারের ইজারার অর্থসহ পৌর ট্যাক্সের টাকা দিয়েই এই বিপুলসংখ্যক জনবলের বেতন-ভাতা দেয়া হয়। তবে এই সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগার থেকে দেয়া হলে এই দুরাবস্থায় থাকতে হতো না।
মেয়র মো. মুরতুজা সরকার মানিক বলেন, প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ১৫৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা। কিন্তু সেখানে রয়েছে মাত্র ৪৩ জন। এতে শূন্যপদ রয়েছে ১১২টি। বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিমাসে ৬ লাখের স্থলে বেড়ে ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। উপজেলা পরিষদ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, খাদ্য বিভাগ ও প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরসহ বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রায় ৩০ লাখ টাকার পৌর ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। বকেয়া ট্যাক্স আদায়সহ হাট-বাজারের ইজারা না হওয়া পর্যন্ত বেতন-ভাতা দেয়া সম্ভব হবে না।