রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
আগামী মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের খবরে রাঙ্গুনিয়ায় সাম্ভাব্য প্রার্থীদের তত্পরতা শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। মাঠ পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থীরা সরব হয়ে উঠছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিভিন্নভাবে নিজের প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন। অপরদিকে বিএনপি রয়েছে নিরব অবস্থানে। উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী শাহ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য কামরুল ইসলাম চৌধুরী এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান চৌধুরী। মোহাম্মদ আলী শাহ বলেন, এমপির সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। স্থানীয় এমপির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিবেচনায়ও মনোনয়ন নিশ্চিত বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। দলীয় নেতৃবৃন্দের আহবানে সাড়া দিয়ে দুইবার রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন কামরুল ইসলাম চৌধুরী। নেতৃত্বের যোগ্যতা এবং আগের ত্যাগের বিষয় বিবেচনা করে এবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করেন বলে জানিয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান চৌধুরী বলেন, অনেক নেতাকর্মী আমাকে নির্বাচন করতে বলছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও বিজয় নিশ্চিত করতে দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষেই দলীয় নেতাকর্মীরা কাজ করবেন। এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা আবু জাফর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শিল্পপতি তড়িত্ কান্তি দেও মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। স্বতন্ত্র হিসেবে তরুণ ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন চৌধুরী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংগ্রহণ করবেন। এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদেকুন নুর সিকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইদ্রিচ আজগর, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও রাজানগর ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ও সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী। অন্যদিকে বিএনপির কোনো প্রার্থীর নাম এখনো শোনা যায়নি। তবে এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।