গেল একযুগে রীতিমতো গোলমেশিনে পরিণত হয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার পর থেকেই নিজের উইঙ্গার তকমা ফেলে বনে গেছেন স্ট্রাইকার। এরপর থেকেই সমানতালে গোল করে গেছেন। এখনও বজায় রেখেছেন নিজের ধারাবাহিকতা।
এই প্রথম জার্মানির বিপক্ষে গোল পেলেন রোনালদো। দলকে লিড এনে দেওয়া গোলটা তার। বাকি গোলটায়ও অ্যাসিস্ট তার। এর আগে ৪বারের বিশ্বকাপজয়ী জার্মানির বিপক্ষে খেলেছেন ৪টি ম্যাচ। এই দলটির বিপক্ষেও একবারের জন্যও জাল খুঁজে পাননি তিনি।
⚽️ All-time EURO top scorer (12 goals)
— UEFA EURO 2020 (@EURO2020) June 19, 2021
???????? All-time top scorer for Portugal (107 goals)
???? @Cristiano ????#EURO2020 https://t.co/ujSrG2I9zd pic.twitter.com/dEF3CIWKSL
আজকের ম্যাচটা হতে পারতো রোনালদোরই। তবে হয়নি সতীর্থদের আত্মঘাতী গোলের ফাঁদে পড়ে। জার্মানদের গতিও রোনালদোকে সরিয়ে দিয়েছে স্পটলাইট থেকে।
হাঙ্গেরিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এবারের ইউরো শুরু করেছিলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল। অন্যদিকে ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে ০-১ গোলে হেরে শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি জার্মানদের। শেষ ষোলোয় খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজ জিততেই হতো মুলারদের।
২০১৪ বিশ্বকাপে জার্মানদের কাছে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল পর্তুগিজদেরকে। জার্মানির বিপক্ষে ৪টি ম্যাচের সবকটিতে তিনি খেলেছেন পুরো ৯০ মিনিট করে। সবমিলিয়ে নিয়েছেন ২৩টি শট। তবে একটাবারের জন্য জার্মান গোলদুর্গ ভাঙতে পারেননি সিআরসেভেন।
বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন সাবেকরাও। পর্তুগালের সাবেক তারকা ফুটবলার নুনো গোমেজ উয়েফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লিখেছেন, এই ম্যাচে তাকে গোল করতেই হবে। তবে তার জন্য কোনকিছুই অসম্ভব নয়। আমরা তার কাছে প্রত্যাশা করতে পারি সে তার সর্বোচ্চটা দিবে। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় সে থাকতে পারে, যেটা একজন স্ট্রাইকারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।
সাবেকদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন রোনালদো। খেলা শুরুর ১৫ মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে লিড এনে দেন। তবে প্রথমার্ধের ৩৫ ও ৩৯ মিনিটে ২টি আত্মঘাতী গোল হজম করে বসে পর্তুগাল। দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে আরও ২ গোল করে জয় নিশ্চিত করে জার্মানরা।
ইত্তেফাক/এএএন/এমআর