প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ। ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর সাক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্য হলেই ধর্ষককে শাস্তি দেওয়া যায়। তিনি বলেন, এ সব মামলার দ্রুত বিচারের লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আমি আশা করব, ধর্ষণের মামলা পরিচালনাকালে কারও দ্বারা আদালত প্রভাবিত হবে না।
গতকাল শনিবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জাতীয় ইনকোয়ারি কমিটি নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণ রোধে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিচারহীনতা/বিচারে বিলম্বের অভিযোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। রায় প্রদানে কালক্ষেপণ করা কাম্য নয়। প্রয়োজনে ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে, নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে সাজা না পায় আর অপরাধী যাতে নিস্তার না পায়। নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং নির্যাতন সংশ্লিষ্ট বিচার দ্রুত ও সঠিকভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিজ্ঞ বিচারকদের মূল্যবান দিক-নির্দেশনা দেন প্রধান বিচারপতি।
সভায় ৬৪ জেলার জেলা ও দায়রা জজ, সব নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণসহ মোট ২৪৯ জন অংশ নেন।
কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, আমরা নুসরাত হত্যা মামলার দ্রুত রায় দেখেছি যা প্রশংসনীয়। কিন্তু ঐ রায় এখনো কার্যকর হয়নি। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলার দ্রুত রায় এবং তা কার্যকর হলে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ কমে আসবে।
ইত্তেফাক/এমআর