যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা কোভিডেও তারুণ্যনির্ভর

যুক্তরাজ্য (UK) কে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে নির্বাচন করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অনেক অসুবিধা পোহাতে হয়, উচ্চশিক্ষার জন্য গন্তব্য নির্বাচন করা খুব সহজ কাজ নয়। আর এই মহামারি এর মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে । এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, কেনো শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্য (UK) কেন নির্বাচন করবে? যেহেতু একজন শিক্ষার্থী টাকা ও সময়ের বিনিয়োগ করবে সেক্ষেত্রে তারা কি ধরনের ফলাফল আশা করতে পারে? এই বিষয়ে আমাদের কে জানিয়েছেন "পিএফইসি গ্লোবাল" এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারিহা বেগম।

ফারিহা বেগম বললেন "সারা বিশ্বের উচ্চ শিক্ষাই কভিড-১৯ মহামারির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই দুঃসময়ে এবং অনিশ্চয়তার মধ্যেও যুক্তরাজ্য (UK)-র বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসেছে। খুবই আশার কথা হচ্ছে যুক্তরাজ্য (UK)সরকার ৫০% জনগণকে ভাক্সিন দেয়া শেষ করতে পেরেছেন। যুক্তরাজ্য সেই সব দেশের মধ্যে একটি যারা তাদের বর্ডার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য খোলা রেখেছেন এবং সেপ্টেম্বর -২০২১ সেশানে-এ স্টুডেন্ট সরাসরি ক্লাস করতে পারবে।যেহেতু আমরা মহামারী সময়কালে আছি যুক্তরাজ্য (UK)  সরকার blended mode of study এর প্রস্তুতি ও রেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, যুক্তরাজ্য (UK)সরকার ৩০ বিলিয়ন পাউন্ড STEM (Science, Technology, Engineering and Mathematics) সেক্টরে চাকুরী জন্য প্রতিশ্রুতিব্ধ। এর মধ্যে ২ বিলিয়ন পাউন্ড স্কিম তাদের জন্য যারা নতুন করে চাকুরী শুরু করতে যাচ্ছে যার মধ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদেরও গণনা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যকে উচ্চশিক্ষার জন্য নির্বাচনের অনেক কারণ রয়েছে।প্রথমত যুক্তরাজ্য সব সময়ই সারা বিশ্বে তাদের জন্য সুপরিচিত।যুক্তরাজ্য (UK) – এর অনেক প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়অবস্থিত যেমন - অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ৮০০ বছরের ও পুরানো, এমনকি যুক্তরাজ্য (UK) নতুন ওআধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে।

Higher Education Statistics Agency (Hisa) এর তথ্যমতে যুক্তরাজ্য (UK) উচ্চশিক্ষার জন্য হচ্ছে বিশ্বের ২য় জনপ্রিয় স্থান, যেখানে ২০১৭/১৮ সালে ৪৫, ৮৫২০জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য (UK) যে বেছে নিয়েছে।

যুক্তরাজ্য (UK)বহুসংস্কৃতিক উদার একটি দেশ যেখানে আপনি পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশ থেকেই মানুষ পেয়ে যাবেন। যেকোন শিক্ষার্থী এখানে নিঃসন্দেহে সাদর অভ্যর্থনা পাবে।যুক্তরাজ্য (UK)বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পিএচডি পর্যন্ত স্কলারশীপ দিয়ে থাকে। এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চশিক্ষার জন্য বিভিন্ন শাখায় বিস্তৃত বিষয় উপস্থাপন করে যেমন: ইউনিভার্সিটিগুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপ সুযোগ রয়েছে। অন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে প্রতি সপ্তাহে ২০ঘন্টা। এছাড়া বিবাহিত ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে স্ত্রী / স্বামী পূর্নসময় কাজ করতে পারবে।

ফারিহা বেগমকে আমরা প্রশ্ন করেছিলাম “অনেক শিক্ষার্থী জানতে চায় Graduate Immigration Route (GIR)  এর জন্য কি কোনো বেতনের পরিসিমা অথবা স্পন্সরশীপ এর প্রয়োজন আছে?” এর উত্তরে তিনি বলেন Graduate Immigration Route (GIR) এর জন্য শিক্ষার্থীকে শুধু তার লেখাপড়া সম্পন্ন করতে হবে। এতে কোন স্পন্সরশীপ অথবা চাকুরির অফার লাগবে না।এছাড়া স্নাতকোত্তর

বা পিএইচডি শিক্ষার্থী তার পরিবার নিতে পারে এবং পরিবার ফুল টাইম কাজ করতে পারে।এ সমস্ত কারণে যুক্তরাজ্য (UK) উচ্চশিক্ষার একটি জনপ্রিয় গন্তব্য হিসাবে গন্য হয়।

ফারিহা বেগম শিক্ষার্থীদের আগামী ২৪শে জুন বেলা ৩.০০থেকে ৫.০০ পর্যন্ত “UK open Day” তে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন “PFEC Global যুক্তরাজ্য এর অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছে। আগামী সেপ্টেম্বর ২০২১ এর জন্য যদি আপনি যুক্তরাজ্য  তে ভর্তি হতে চান তবে আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। 

যুক্তরাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় এর সাথে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে তাদের সাথে সরাসরি কথা বলে শিক্ষার্থীরা তাদের সব রকম তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে আমাদের ফেসবুক পেইজhttps://www.facebook.com/PFEC.Studyabroad/, ওয়েবসাইটhttps://www.pfecglobal.com.bd/অথবা আমাদের অফিসের ফোন নম্বরঢাকা অফিসঃ +৮৮০৯৬১২৮০০৩০০, চট্টগ্রাম আফিসঃ +৮৮০৯৬১২৮০০৪০০ এর মাধ্যমে যোগাযোগ।

ইত্তেফাক/এএইচপি