কালকিনিতে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবসহ ২৬ জন শিক্ষককে অব্যাহতি

কালকিনি (মাদারীপুর) সংবাদদাতা

কালকিনিতে এসএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র ও ২০১৯ সালের নৈর্ব্যক্তিক দিয়ে পরীক্ষা হওয়ায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছে পরীক্ষার্থীরা। শনিবার বিকালে কালকিনি উপজেলার খাসেরহাট সৈয়দ আবুল হোসেন স্কুল এ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে সড়কে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা এবং ওই পরীক্ষার কেন্দ্রে সচিবসহ ২৬ জন শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এই সমস্যার প্রতিবাদ করলেও পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে কোনো প্রকার সমাধান করা হয়নি। পরে পরীক্ষা শেষে সকল শিক্ষার্থী একত্রে হয়ে কালকিনি-খাসেরহাট সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। পরে প্রায় দুইঘণ্টা পরে জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলামের আশ্বাসে সড়কের অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব, পরীক্ষা কমিটি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে সমাধানের জন্য ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করছি সমস্যা সমাধান হবে। শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না। তা ছাড়া ওই কেন্দ্র সচিবসহ কেন্দ্রের সকল শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে নতুন শিক্ষক দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্র সচিব ও সহকারী কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) সংবাদদাতা জানান, বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অনিয়মের কারণে বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব ও সহকারী কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের সিলেবাসের মাত্র ১১ জন পরীক্ষার্থীর জন্য ৪০০ প্রশ্নপত্র কেন কেন্দ্রে নেওয়া হয় তার সঠিক জবাব দিতে পারেননি কেন্দ্র সচিব আতাউর রহমান ও সহকারী কেন্দ্র সচিব শাহজাহান সিরাজ। তাই প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্বহীনতার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এক লিখিত আদেশে কেন্দ্র সচিব আতাউর রহমান ও সহকারী কেন্দ্র সচিব শাহজাহান সিরাজকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।