রাজধানীর ধোলাইপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড জুনিয়র হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্র ছিলো সৈকত। মহামারি করোনার প্রথম বছর তার বাবা মারা যায়। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম। সেই মানুষটিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন সৈকতের মা।
বাবা মরার যাওয়ার পর পরিবারকে আগলিয়ে রাখতে এগিয়ে আসে সৈকত। হাতে তুলে নেয় রিকশা-ভ্যান। ভ্যান চালিয়ে আয় রোজগার করেই এখন চলে তাদের আট সদস্যের সংসার।
সৈকতের পরিবারে আছে তার মা, দুই ভাই ও চার বোন। সৈকত যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত প্ৰতিজন ৩০টাকা করে ভাড়া নিয়ে যাত্রী বহন করেন। সারাদিন ভ্যান চালিয়ে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোন মতে চলে আট জনের সংসার।
ইত্তেফাক/এমআর