নবজাতক বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন অ্যাথলেট মায়েরা। জানিয়েছে টোকিও অলিম্পিকের আয়োজকরা।
এর আগে কানাডিয়ান বাস্কেটবল তারকা কিম গাউচার, যার ৩ মাসের একটি বাচ্চা আছে, জানান, তার দুধের শিশু মা অথবা অলিম্পিক অ্যাথলেট এ দু’টির যে কোন একটি পরিচয় বেছে নিতে বলা হয় তাকে। তার এমন বক্তব্যের পর এমন সিদ্ধান্ত জানালেন আয়োজকরা।
কোভিড নাইন্টিনের কারণে অলিম্পিকে খেলোয়াড়দের পরিবারকে নিষিদ্ধ করা হয়। তবে ‘প্রয়োজন অনুযায়ী’ নবজাতক বাচ্চাকে নিয়ে আসা যাবে।
অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার অ্যালেক্স মরগ্যান জানান, তিনি এখনো নতুন এই নির্দেশনা বুঝে উঠতে পারছেন না। অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী মরগ্যান টুইটারে বলেন, আমি বুঝতে পারছি না ‘প্রয়োজন অনুযায়ী’ এর মানে কী?
মরগ্যানের এক বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা অলিম্পিক অ্যাথলেট মায়েরা বলছি, এটি সবসময়ই প্রয়োজন। আমাকে এখনো পর্যন্ত জানানো হয় নি আমার মেয়েকে আমি জাপানে নিয়ে যেতে পারবো কিনা! অথচ আর ৭দিন পরই আমরা সেখানে যাবো।
যুক্তরাষ্ট্র নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক মেগান তার সতীর্থকে সমর্থন দিয়ে জানান, যদি একজন মা কিংবা বাবা মনে করেন সন্তানকে পাশে রাখা প্রয়োজন, তাহলে অবশ্যই এটি প্রয়োজন।
বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য অলিম্পিক কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা বিবিসিকে জানায়, শিশুদেরকে অবশ্যই নার্সিং বয়সের হতে হবে। ন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি নিশ্চিত করতে চায় যে, অ্যাথলেট মায়েদের জন্য অবশ্যই নার্সিং কেয়ার থাকবে।
Deep breath – the USA Gymnastics men’s and women’s squads are officially locked in for #Tokyo2020.????@Simone_Biles, @sunisalee_, @SamuelMikulak and @Yul_Shin0122 all feature in @Tokyo2020's review of the weekend’s Olympic trials. ????@USAGym | @gymnasticshttps://t.co/830ikJ7BsD
— #Tokyo2020 (@Tokyo2020) June 28, 2021
কানাডিয়ান বাস্কেটবল তারকা গাউচার জানান, তিনি এখন নিজেকে মুক্ত ভাবছেন। এমন সিদ্ধান্ত আসায় তার পক্ষে অলিম্পিকে অংশ নিতে আর কোন বাধা রইলো না।
কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, যুক্তরাজ্যের আর্চার নাওমি ফোকলার্ড জানান, সিদ্ধান্তটি নিতে অনেক দেরি করেছে তারা। ফলে তার ৫ মাস বয়সী বাচ্চাকে ছাড়াই এখন খেলতে হবে তাকে।
আগামী ২৩ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে টোকিও অলিম্পিক। এবারের আসরে বিদেশি দর্শকদেরকে নিষিদ্ধ করা হলেও, মাঠে থাকতে পারবেন ১০ হাজার জাপানি দর্শক।
ইত্তেফাক/এএএন