ইংল্যান্ডে আবারো বেজে উঠেছে সেই পুরনো গান ‘ফুটবল, ইটস কামিং হোম’। ফুটবলের জনক দেশটার এই মাতামাতিটা ঠিক দৃষ্টিকটু নয়। ট্রফিটা ছোঁয়ার ভাগ্য ওদের হয় খুব কমই, তবে ফুটবলের জন্য আবেগটা তাদের একেবারে নিরেট-খাঁটি।
একবার বিশ্বকাপ শিরোপা ছোঁয়ার স্বাদ তারা পেয়েছে, তবে ইউরোতে ওরা বরাবরই ব্যর্থদের দলে। এবার যেন সেই ব্যর্থতা ঝেড়েমুছে সাফ করতে চায় ইংলিশরা। গ্যারেথ সাউথগেটের দলটার দিকে তাকালে অমনই মনে হবে।
এবারের ইউরোতে যেমন খেলা হচ্ছে, আন্ডারডগ বলতে কোন শব্দ যেন ওদের ডিকশনারিতেই নেই! প্রতিটা ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁঝটা তীব্র। অথচ ইংল্যান্ডকে দেখুন, এই কোয়ার্টার ফাইনালে এসে ইউক্রেনকে নিয়ে কেমন ছেলেখেলা করলো!
ইউক্রেনিয়ানদের একেবারে হেলাফেলা করবেন না। ক’দিন আগেও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে রুখে দিয়েছিলো ওরা। তবে কেইন-স্টার্লিং-স্যাঞ্চোরা যেন খুনে মেজাজে ছিলেন!
ম্যাচের ৪র্থ মিনিট। স্টার্লিংয়ের বাড়ানো থ্রো বলটা ধরে জালে পাঠিয়ে দেন ক্যাপ্টেন হ্যারি কেইন। টুর্নামেন্টে তার ২য় গোল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারো ইংলিশদের দাপট। এবার হেডে বল জালে পাঠান ডিফেন্ডার হ্যারি ম্যাগুইয়ার।
মিনিট চারেক পর স্কোরশিটে আবারো নাম লেখান হ্যারি কেইন। ইংলিশদের লিড ৩ গোলের। আসরে কেইনেরও তৃতীয় গোল।
৬৩ মিনিটে স্কোরশিটে নাম লেখান জর্ডান হেন্ডারসনও। ৪-০ স্কোরলাইনের পর ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখার কথা নয় ইউক্রেনের। তারা পারেও নি।
ইংলিশদের সেমির প্রতিপক্ষ ডেনমার্ক। ভেন্যু ওয়েম্বলি। সেখানে নিশ্চয়ই আরও জোরে বাজবে, ‘ফুটবল, ইটস কামিং হোম’।
ইত্তেফাক/এএএন