এএফপি, বিবিসি ও আল জাজিরা
অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একশ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। বন্যায় ঘরবাড়ি, স্কুল, বিমানবন্দর পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। হাজারো মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। বন্যার পানির তোড়ে নোনা পানির কুমির রাস্তা ও লোকালয়ে চলে আসায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, বন্যার কবলে ২০ হাজার ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। এতে মানুষের জীবন ও সম্পদ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জরুরি সংস্থাগুলো ভয়াবহ এই দুর্যোগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পেরে উঠছে না। শুধু রবিবার রাতেই জরুরি উদ্ধারকর্মীরা ১৮ জনকে পানি থেকে উদ্ধার করেছে। এরা বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে ভেসে যাচ্ছিলেন।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী নামিয়েছে সরকার। সেনাসদস্যরা উপদ্রুত এলাকায় হাজার হাজার বালুর ব্যাগ সরবরাহ করছেন। উভচর যান ব্যবহার করে বিভিন্ন বাড়ির ছাদ থেকে বাসিন্দাদের উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। বন্যার কারণে হাজার হাজার মানুষকে বিদ্যুত্ ছাড়াই থাকতে হচ্ছে। অন্ধকারেই দিনাতিপাত করার পাশাপাশি তাদেরকে কুমির ও অন্যান্য জলজ হিংস সরীসৃপ প্রাণী থেকেও সতর্ক থাকতে হচ্ছে। টাউন্সভিল কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্যাবিধ্বস্ত অঞ্চলে ডুবে যাওয়া রাস্তা ও লোকালয়ে নোনা পানির বেশ কয়েকটি কুমির দেখা গেছে।