বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে খাল, ছড়া ও নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে পৃথক অভিযানে সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা ও বালু উত্তোলনে ব্যবহূত সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে পুকুরিয়ার মুজিবুল হককে গত বুধবার দেড় লাখ টাকা এবং সাতকানিয়া তুলাতুলি এলাকার আকরাম খানের পুত্র গিয়াস উদ্দিন খান মিন্টু ও তার সহযোগী মোহাম্মদ দেলোয়ারকে গত বৃহস্পতিবার ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০০০ এর ৪ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে তাদের এ শাস্তি প্রদান করেন বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুজন চন্দ্র রায়।
অভিযোগ রয়েছে, শঙ্ঘ নদী ও তার আশপাশের ছড়া থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে তা বিক্রি করছে একটি মহল। এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে শঙ্খ নদী সংলগ্ন বাঁশখালীর খানখানাবাদ, সাধনপুর ও পুকুরিয়া এলাকায় বাড়ি-ঘর ও জনবসতি হুমকির মুখে পড়ছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময় প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও বালু উত্তোলন থামেনি।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, খানখানাবাদ, সাধনপুর ও পুকুরিয়া এলাকার জনপ্রতিনিধিদের শঙ্খ নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। রায়ছটা গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কিছু বালু ব্যবসায়ী জোয়ারের সময় চৌধুরীঘাট এলাকায় বালু উত্তোলন করে থাকে। চৌধুরীঘাট এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, বরফ মিল সংলগ্ন উত্তোলনকৃত বালুগুলো কার তা তদন্ত করলেই মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে। খানখানাবাদ ভূমি অফিসের কর্মকর্তা এই রক্ষিত বালুগুলো পরিমাপ করে গেছেন। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোমেনা আক্তার বলেন, শঙ্খ নদী থেকে কোনো অবস্থাতেই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেওয়া হবে না। কেউ উত্তোলন করলে তার বিরুদ্ধে সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।