আমার নিজের কোনো পরিবর্তন হয়নি—নোবেল

কলকাতার ‘সারেগামাপা’ প্রতিযোগিতায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন বাংলাদেশের নোবেল। এর কারণ প্রতি পর্বেই নতুন নতুন চমক নিয়ে হাজির হওয়া। সেই চমকের সঙ্গী হয় তার গিটার ও আত্মবিশ্বাস। যে কারণে দুই বাংলাতেই জনপ্রিয় হয়েছেন তিনি। তার জনপ্রিয়তাকে এরইমধ্যে কাজে লাগাতে শুরু করেছে কলকাতা। তাকে দিয়ে গাওয়ালেন ভিঞ্চি দা নামের একটি চলচ্চিত্রের গান। চলচ্চিত্রটির পরিচালক সৃজিত মুখার্জি।

তবে এতকিছুর পরও আগের মতোই আছেন নোবেল, জানালেন তিনি নিজেই। নোবেল বলেন, ‘আসলে আমার নিজের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমি আগের মতোই আছি। আমি আগে যে খারাপ গাইতাম, তা তো না। তবে আমাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিটা পরিবর্তন হয়েছে মানুষের।’

সারেগামাপা’র প্রতিটি পর্বে বিচারকদের (বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য, বলিউডজয়ী গায়িকা মোনালী ঠাকুর এবং সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক সান্তুনু মৈত্র) প্রশংসায় ভাসেন নোবেল। নোবেলের প্রতিটি পরিবেশনা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে অনলাইনে। প্রত্যেকের কাছ থেকেই আসে প্রশংসা। এমন উচ্ছ্বাস স্বাভাবিকভাবে বেশ ভালোই লাগে নোবেলের।

নোবেল বলেন, ‘দেশে থাকতেও যেমন দিনরাত প্র্যাকটিস করতাম, এখানেও দিনরাত প্র্যাকটিস করছি। ঢাকায় যে ধরনের মিউজিক করেছি এখানেও তেমনই করছি। এই প্রতিযোগিতায় তো আমি ক্লাসিক্যাল মিউজিক করছি না, যার কারণে খুব একটা পার্থক্য দেখছি না। তবে এখানে এতদিনের গ্রুমিংয়ে আমার খানকিটা হলেও উন্নতি হয়েছে।’ সারেগামাপার পাট চুকিয়ে দেশে ফিরে নিজের ব্যান্ড ‘নোবেলম্যান’ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চান নোবেল। ব্যান্ডের নামটিও তার ভক্তদের দেওয়া। নোবেল (ভোকালিস্ট) ছাড়া ব্যান্ডের বাকি সদস্যরা হচ্ছেন গিটারিস্ট জাহিন রশিদ, বেইজিস্ট সঞ্জয়, কি-বোর্ডিস্ট স্টিফেন ও ড্রামসে রয়েছেন শিশির। এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ব্যান্ডটির কাজ। ব্যান্ডটি প্রসঙ্গে নোবেল বলেন, ‘এপ্রিলে পুরোপুরি দেশে ফিরে ব্যান্ডটা নিয়েই পুরোদমে কাজ করবো। আমার ব্যান্ডের অর্থ জোগাড়ের জন্য স্টেজশো করবো। এরইমধ্যে টুকটাক ব্যান্ডের কম্পোজিশন শুরু করেছি। দলের সবাই সিনিয়র মিউজিশিয়ান। নিজেদের মতো করে কম্পোজিশন করতে চায়। আশা করি, ব্যান্ডটিও মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। সেভাবেই আমরা সব প্রস্তুতি নিচ্ছি।’