কচুয়া উপজেলার নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৫০ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সাত জন প্রাথমিক চিকিত্সা গ্রহণ করে বাড়ি ফিরেছে। এছাড়াও আরো ৪০/৪৫ জন স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিত্সা গ্রহণ করে। গতকাল মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে।
নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারাধন চন্দ্র ভৌমিক জানান, গতকাল দুপুরে উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দিনের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে ফারিয়া সুলতানা হঠাত্ করে শ্রেণিকক্ষে ঘুরে পড়ে যায়। পরে তার দেখাদেখি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জ্ঞান হারিয়ে শ্রেণিকক্ষে ঢলে পড়তে থাকে। বিকেল পর্যন্ত একেক জন শিক্ষার্থী এভাবে ঢলে পড়তে থাকে। অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের দ্রুত কচুয়া সদর হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিত্সা দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. সোহেল রানাসহ অন্যান্য মেডিক্যাল অফিসাররা জানান, আমাদের ধারণা প্রথম যে ছাত্রী আক্রান্ত হয়েছে সে না খেয়ে বিদ্যালয়ে এসেছে। ক্ষুধার কারণে সে ঘুরে পড়তে পারে। তার এ অবস্থা দেখে আতঙ্কে অন্যরা একের পর আক্রান্ত হতে থাকে। তারা এটিকে মাস পেনিক (গণআতঙ্ক) রোগ বলে দাবী করছেন। তারা আরো বলেন, আক্রান্তদের নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। উপযুক্ত চিকিত্সায় তারা দ্রুত আরোগ্য লাভ করবে।