শিবালয়ে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিলেও বিএনপি এবং শরিক দলের কোনো নেতাকর্মীর তত্পরতা দেখা যাচ্ছে না।
জানা গেছে, উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মত দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়। গত ২৮ জানুয়ারি আরিচা ডাকবাংলোয় তৃণমূল প্রতিনিধিরা চেয়ারম্যান পদে আলহাজ্ব আব্দুর রহিম খান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিকাশ সাহা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রুনা আক্তারকে সর্বোচ্চ ভোট দিলেও প্রতি পদে আরো দু’জনের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়। বিপরীতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিএনপি বা সমমনা দলগুলোর কোনো প্রার্থীর তত্পরতা লক্ষ্য করা যায়নি।
বিএনপি উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সত্যেন কান্ত পন্ডিত ভজন জানান, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো দলীয় নেতা-কর্মী উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এছাড়া গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নতুন করে প্রহসন ও কারচুপির নির্বাচনে যাওয়ার কোনো যুক্তি নেই। ফলে এ উপজেলায় ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের প্রার্থী হওয়া ছাড়া নির্বাচনে অপর কোনো দল বা জোটের প্রার্থীর দেখা মিলছে না বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন। আওয়ামী লীগ ব্যানারে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সেলিম রেজা, যুবলীগ আহ্বায়ক মিরাজ হোসেন লালন, ফারুক হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রওশন আরা বেগম, আমেনা বেগম, রিঞ্জু রহমান প্রমুখ তত্পর রয়েছেন।
এদিকে বিএনপির সমর্থনে নির্বাচিত সদ্য আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আকবর তৃণমূলের ভোটে জয়ী না হওয়ায় আসন্ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন এমন আভাস দিয়েছেন। একই বক্তব্য দিচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ভাইস চেয়ারম্যান আলী আহসান মিঠু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাহমিনা আক্তার লতা। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার ও উপজেলা কমান্ডার রেজাউর রহমান খান জানু জানান, তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে তৃণমূলের ভোটে ২য় হয়েছেন। তার নামও কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আলহাজ আব্দুুর রহিম খান জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত তার পক্ষে না আসলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন।