তালা (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা
সাজিদ হোসেন (১৩) তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের মুন্সি আবু তালেব ও তাহেরা পারভীনের একমাত্র ছেলে। বর্তমানে তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সাজিদ হোসেনের হাত-পা দিন দিন বেঁকে যাচ্ছে। শরীরের মধ্যে গুটি গুটি উঠেছে। ছোট বেলায় স্বাভাবিক থাকলেও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের হাড়ের উপর গুটি উঠতে শুরু করে। ছেলের চিকিত্সার জন্য সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, ঢাকা এমনকি ভারতেও নিয়ে গেছেন গরিব বাবা মুন্সি আবু তালেব। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের চিকিত্সক ও ভারতের ব্যাঙ্গালোরের চিকিত্সক দুই ধরনের মত দিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, সাজিদের বয়স ২৫ বছর না হওয়া পর্যন্ত তার শরীরে অপারেশন করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ভারতের চিকিত্সকরা এখনই অপারেশন করতে বলেছেন। শরীরের মধ্যে হাড়ের উপর ওঠা গুটির প্রত্যেকটি অপারেশনের জন্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা করে প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সেখানকার চিকিত্সকরা।
সাজিদ হোসেনের মা তাহেরা পারভীন বলেন, জন্মের এক বছর পর থেকে ছেলের গায়ে প্রথমে কয়েকটি গুটি উঠে। তখন চিকিত্সকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ওষুধপত্র দেয়া হলেও কোনো লাভ হয়নি। ধীরে ধীরে শরীরে বিভিন্ন স্থানে গুটির সংখ্যা বাড়তে থাকে। ভারতের ব্যাঙ্গালোরের মনিপাল হাসপাতালের অর্থপেটিকস বিভাগের প্রধান ডা. রাজেন জানিয়েছেন, সাজিদ অপারেশন করলে সুস্থ হয়ে যাবে। তার শরীরে হাড়ের উপর ওঠা গুটির প্রত্যেকটি অপারেশনের জন্য প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা প্রয়োজন।
ছেলের চিকিত্সার জন্য সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তাহেরা পারভীন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: মুন্সী আবু তালেব, হিসাব নম্বর- ৩১৭৭, সোনালী ব্যাংক, তালা শাখা, সাতক্ষীরা অথবা মোবাইল- ০১৭৬১৭৭৭১৯৩ এবং ০১৭৫০০৮৫০৪২।