স্পোর্টস রিপোর্টার
আগেই প্রতিশ্রুতি মিলেছিলো জমজমাট একটা ফাইনাল হবে। সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলো মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে ফাইনালে দানবীয় তান্ডব করলেন তামিম ইকবাল। ঢাকা ডায়নামাইটসও দারুন জবাব দিচ্ছে। আগে ব্যাট করে কুমিল্লা করেছিলো ৩ উইকেটে ১৯৯ রান। জবাবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১১ ওভারে ২ উইকেটে ১২০ রান করেছে। ৬৫ রান নিয়ে ব্যাটিং করছেন রনি তালুকদার। উপল থারাঙ্গা ৪৮ রান করে আউট হয়েছেন।
আগে ব্যাট করতে নামা কুমিল্লা খুব দ্রুতই প্রথম উইকেট হারিয়ে ফেলে। দলীয় মাত্র ৯ রানে ব্যক্তিগত ৬ রান করে ফিরে যান মৌসুমের সফল ব্যাটসম্যান এভিন লুইস। এরপর এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে প্রথম প্রতিরোধ গড়েন তামিম ইবাল। দু জনে ৮৯ রানের জুটি করেন। বলাই বাহুল্য, এই জুটিতে তামিমের অবদানই বেশী।
বিজয় ৩০ বলে ২৪ রান করে ফিরে আসেন। পরপর কোনো রান না করে ফেরেন সামসুর রহমান শুভ। আর শেষ পর্যন্ত তামিমকে সঙ্গ দেওয়া কুমিল্লা অধিনায়ক ইমরুল কায়েস ২১ বলে করেন ১৭ রান। তামিম ইকবাল এর মধ্যে নিজেকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে যাওয়া এক অনন্য সেঞ্চুরি করেন। ১৪১ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি ৬১ বল খেলে। তামিমের ইনিংসে ছিলো ১০টি চার ও ১১টি ছক্কা। ৩১ বলে পঞ্চাশ করেন। এরপর ৫০ বলে করে ফেলেন এক শ রান।
তামিম ইকবালের ক্যারিয়ারে এটাই সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে সর্বোচ্চ ১৩০ রান করেছিলেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। আর বিপিএলের ইতিহাসে একটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এই মৌসুমে এটা সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
তামিম এই ইনিংস খেলার ভেতর দিয়ে এবারের আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়ে গেলেন। সর্বোচ্চ ৫৫৮ রানের মালিক রাইলি রুশো। আর তামিম ইকবালের রান শেষ পর্যন্ত ৪৬৭। তিনি গতকাল টপকে গেছেন ৪২৬ রানের মালিক মুশফিকুর রহিমকে।