তালেবান কর্তৃক আফগানিস্তান দখলের পর থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশের জঙ্গী সংগঠনগুলো মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে এমন আশংকাইয় আছে সরকারগুলো। বাংলাদেশ থেকেও বেশ কিছু মানুষ আফগানিস্তানে যাওয়ার প্রচেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব কর্মকান্ড বন্ধে কঠোর নজরদারি করছে বাংলাদেশ সরকার। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টিআরটি ওয়ার্ল্ডে প্রকাশিত এক মতামতে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন গণমাধ্যমকর্মী ফয়সাল মাহমুদ।
মতামতে ফয়সাল মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবরকম গতিবিধি পর্যালোচনা করছে। গত কয়েকবছর সরকার সন্ত্রাস ও জঙ্গী দমনে কঠোর অবস্থানে থাকলেও সুপ্ত অবস্থায় বেশ কিছু সংগঠন তাদের উপস্থিতি অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু ১৫ আগস্ট তালেবান কর্তৃক কাবুল দখলের পরেই তারা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো তালেবানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ করে তোলে তারা। এই ঘটনাকে তারা ইসলামের বিজয় হিসেবে আখ্যা দেয়। এমনকি তালেবানদের সঙ্গে যোগদান করে শরীয়াহ আইনের আওতায় নতুন জীবন শুরু করার আহ্বান আসে। বাংলাদেশ সরকার এসব বন্ধে এবং ভুল তথ্য উপস্থাপনে জড়িতদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে অনেক বাংলাদেশি আফগানিস্তানে চলে গেছে। তাদের অনেকেই ভারতে আটক হয়েছে। বিভিন্ন উপায়ে আফগানিস্তানে যাওয়ার চেষ্টা করছে তারা। বিষয়টি জানিয়েছেন পুলিশ হাইকমিশনার শফিকুল ইসলাম।
এক সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম জানান, আফগানিস্তানের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়ে যাওয়াদের ভারত সীমান্ত থেকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ এ বিষয়ে কঠোর সতর্ক অবস্থানে আছে। সবার গতিবিধি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/টিআর