পিকনিকে না যাওয়ার শাস্তি কি বেতন কর্তন?

গত ২৮ জানুয়ারি টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের বার্ষিক পিকনিক ছিল। ঘোষণা করা হয়েছিল, পিকনিকের চাঁদা শিক্ষকপ্রতি এক হাজার টাকা। যদি স্বামী, স্ত্রী ও সন্তান নেওয়া হয়, তবে মাথাপিছু আরো এক হাজার টাকা করে দিতে হবে। মাসের শেষে এবং আর্থিক দিক বিবেচনায় অনেকেই সেদিন পিকনিকে যাননি। গত ৭ ফেব্রুয়ারি বেতন নিতে গিয়ে দেখা যায়, যারা পিকনিকে যায়নি তাদের পাঁচদিনের বেতনের টাকা কর্তন করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই কলেজের নিজস্ব বেতনের সঙ্গে সরকারি বেতনও কাটা হবে। বলা হয়েছে, এ বিষয়ে কথা বললে ‘কারণ দর্শাও নোটিশ’ করে সাসপেন্ড করা হবে। ২৫ জন শিক্ষক পিকনিকে অনুপস্থিত থাকলেও এই আর্থিক দণ্ড ভোগ করতে হয়েছে ২২ জনকে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে স্বল্প আয়ের শিক্ষকদের পিকনিকে না যাওয়া কি অপরাধ? নাকি অত্যাচার? বিষয়টি বিবেচনা করে কর্তনকৃত টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক