শাহীন হাফিজ, বরিশাল অফিস
বরিশাল নগরী ছেয়ে গেছে বেপরোয়া গতির ঝুকিপূর্ণ সব যানবাহনে। রাস্তাঘাটে গিজগিজ করছে ব্যাটারিটালিত অটোরিক্সা, আলফা মাহিন্দ্রসহ নানা ধরনের ঝুকিপূর্ণ যানবাহন। এরা প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ঢুকছে অলিগলি পর্যন্ত। ট্রাফিক আইন সম্পর্কেও এরা অজ্ঞাত। ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৫৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় অনুমোদনের চেয়ে তিনগুনেরও বেশি দ্রুতগামী যান-বাহন চলাচল করছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৩৮৭ কিলোমিটার পাকা সড়কে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে চলাচল করছে ১০ হাজার গ্যাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সাসহ দ্রুতগামী বাহন আলফা-মাহিন্দ । সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স দেয়া ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা ২ হাজার ৬১০ ও বিআরটিএ কর্তৃক লাইসেন্স দেয়া গ্যাস চালিত অটোরিক্সা পাঁচশতাধিক। দ্রুতগামী বাহন আলফা-মাহিন্দ চলাচল করার কথা পুরো জেলায়। তবে নগরীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে দিন-রাত সমানতালে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বরিশাল জেলা সহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে আসা দ্রুতগতির এসব বাহন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ শুক্রবার সন্ধ্যায় তার কালিবাড়িস্থ বাসভবনে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় সাংবাদিকরা দ্রুত গতির বাহনের প্রসঙ্গ তুললে মেয়র চলতি মাসেই সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে সমাধানের আশ্বাস দেন। মেয়র এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা জানান, মেট্রোপলিটন এলাকায় যানবাহন চলাচলে সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধান্তের কথা থাকলেও আঞ্চলিক পরিবহন কমিটিতে তাদের পাশ কাটিয়ে সকল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনে ইজিবাইক চলাচল করছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে পাশ কাটিয়ে অনুমোদনহীন যানবাহন চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে বিআরটিএ। মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খাইরুল আলম ইত্তেফাককে জানান, তিনি ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বে রয়েছে। মেট্রো আরটিসি যে সিদ্ধান্ত দিবে তা ট্রাফিক বিভাগ বাস্তবায়ন করবে।