ইত্তেফাক রিপোর্ট
দেশব্যাপী কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং উন্নয়নকে টেকসই করতে উদ্যোক্তা উন্নয়নে জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য আর্থিক খাতের সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি উদ্যোক্তা নীতিমালা প্রনয়নের প্রস্তাব তাদের। গতকাল শনিবার রাজধানীর ইস্কাটনে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের এন্টারপ্রেনারশিপ ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারে তারা এসব কথা বলেন। ‘ইন্টারন্যাশনালাইজেশন অব এন্টারপ্রেনারিয়াল একটিভিটি : আর উই রেডি?’ শীর্ষক ওই সেমিনারে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতা ও তরুণ উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের উদ্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী আয় বৈষম্য এখন প্রকট। বাংলাদেশও এর ব্যাতিক্রম নয়। আয় বৈষম্য টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে অন্যতম বাধা। এ বাধা দূর করতে উদোক্তা সৃষ্টি করা এখন সময়ের দাবি। এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর (ইএবি) সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, দেশের উদ্যোক্তারা সহসী। সব ধরনের বাধা মোকাবেলা করেই এগিয়ে চলেছেন। তবে বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে সরকারের আর্থিক, নীতি সহায়তা ছাড়াও অবকাঠামোগত নানান সুবিধা বাড়াতে হবে।
ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী বলেন, দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ এখনও কোন ধরনের চাকরি, লেখাপড়া এমনকি প্রশিক্ষনের মধ্যে নেই। তরুণদের কর্মসংস্থান ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কার্যকর নীতিমালা প্রনয়ন এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। এ সময় অন্যদের মধ্যে ট্রাষ্ট ব্যাংকের এএমডি হোমায়রা আজম, ঢাকা স্কুল অব ইনোনমিক্সের সহকারি অধ্যাপক রেহানা পারভীনসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।