নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চল বাঁশগাড়ী ও নীলক্ষায় দুই পক্ষের পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরমধূয়ার সিকদার বাড়ি ঘাট থেকে ১টি বন্দুক ও ৬ রাউন্ড গুলিসহ ৪ জনকে এবং বাঁশগাড়ী সোবাহানপুর ঘাট থেকে ১টি পাইপ, ৭টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬ রাউন্ড গুলিসহ ৯ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে রায়পুরা থানায় মোট ১৩ জনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হাসান গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করে বলেন, মূলত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই চরাঞ্চলে এই সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এখানে আধিপত্য বিস্তারের ঘটনা দীর্ঘদিনের। দুই দলের দুই নেতা সাহেদ সরকার ও সিরাজুল ইসলাম চেয়ারম্যান মারা যাওয়ার পর বেশ কিছু দিন এই সংঘর্ষ বন্ধ ছিল। শুক্রবার ভোরে হঠাত্ সাহেদ সরকারের সমর্থকরা গ্রামে উঠতে চাইলে প্রতিপক্ষ সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল সমর্থকরা বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষ বাঁশগাড়ী ছাড়িয়ে নিলক্ষা ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরো বলেন, হামলা পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।