ইত্তেফাক রিপোর্ট
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন জলবায়ু পরিবর্তন ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা। গতকাল রাজধানীর পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত ‘এসডিজি ১৩: জলবায়ু কার্যক্রম’ বিষয়ক এক সেমিনারে এই অভিমত ব্যক্ত করেন তারা। ‘গণমানুষের কণ্ঠস্বর: বাংলাদেশে ২০৩০ টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্ল্যাটফর্মে এই সেমিনারের আয়োজন করে। সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল করিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘কাউকে বাদ দিয়ে নয়’ এসডিজি’র এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সকল অভীষ্ট অর্জনের লক্ষ্যে সকলকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কার্যকরভাবে মোকাবিলায় বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগসমূহে স্থানীয় সরকারকে সরাসরি সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় এখনই উদ্যোগ নেওয়া না হলে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। তিনি বলেন, এসডিজি অর্জনের জন্য সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। অভ্যন্তরীণ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত ও স্থানীয় পর্যায়ে তা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। সেমিনারে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ১৩: জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি কর্মব্যবস্থা গ্রহণ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সুলতান আহমেদ। জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বের দিকে না তাকিয়ে নিজেদেরকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বিআইডিএস এর সাবেক পরিচালক (গবেষণা) ড. আসাদুজ্জামান এবং মুক্ত আলোচনা পর্বে সরকারের বিভিন্ন সংস্থাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেন।