খুলনা অফিস
অনিয়মের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এমএ ইন ইংলিশ কোর্সের এক মেধাবী ছাত্রীকে মার্কস কম দিয়ে দ্বিতীয় স্থান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইংরেজি ডিসিপ্লিন প্রধানের বিরুদ্ধে। স্নাতকের ফলাফলের ভিত্তিতে ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৭ প্রাপ্ত এমএ ইন ইংলিশ কোর্সের ছাত্রী তুশমিত মেহেরুবা আঁকা খুবির ইংরেজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. আহমেদ আহসানুজ্জামানের বিরুদ্ধে রেজাল্টে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে গত ৩ ফেব্রুয়ারি খুবির রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, এমএ ইন ইংলিশ ’১৮ ব্যাচের প্রথম টার্মে আঁকা ৩.৫৮ সিজিপিএ অর্জন করে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৯ জুলাই থিসিস এবং প্রোজেক্টের মিড-টার্ম ডিফেন্সে সুপারভাইজার ড. সাবিহা হকের তত্ত্বাবধানে আঁকা তার থিসিসের কাজের একটি রূপরেখা উপস্থাপন করেন। তার ভিত্তিতে ইন্টার্নাল হামালনা নিজাম, এক্সটার্নাল আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. আহমেদ আহসানুজ্জামান তাকে কিছু পরামর্শ দেন। সে অনুযায়ী থিসিস সন্তোষজনক হওয়ায় ২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর ড. সাবিহা হক থিসিসে স্বাক্ষর করেন। আকা ইন্টার্নাল, এক্সটার্নালের যথাযথ নামসহ থিসিসের চারটি কপি ডিসিপ্লিনের অফিসে জমা দেন। ’১৮ ব্যাচের অন্যান্য শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আঁকা জানতে পারেন যে সে ছাড়া আর কোনো শিক্ষার্থীর থিসিস কমিটিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। গত ২৪ জানুয়ারি এমএ ইন ইংলিশ ’১৮ ব্যাচের দ্বিতীয় টার্ম এবং দুই টার্মের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলে জানা যায় আঁকা দ্বিতীয় টার্মে ৩.৩৯ টিজিপিএ এবং মাস্টার্সের দুই টার্মের রেজাল্টের ভিত্তিতে ৩.৪৭ সিজিপিএ অর্জন করে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছে। ইংরেজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. আহমেদ আহসানুজ্জামান বলেন, এ ধরনের অভিযোগ সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। অভিযোগ জানার পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।
খুবির রেজিস্ট্রার প্রফেসর রুহুল কুদ্দুস বলেন, আঁকার লিখিত অভিযোগটি আমি হাতে পেয়েছি। বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। খুবির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফায়েক উজ্জামান বলেন, রেজিস্ট্রার আমাকে জানিয়েছেন, তিনি ইংরেজি ডিসিপ্লিনের ছাত্রী তুশমিত মেহেরুবা আঁকার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। অভিযোগের ব্যাপারে প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।