অবশেষে বিসিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত

বিভাগীয় প্রার্থীদের বঞ্চিত করে ২০৯ পদে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। এ ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা ও চাকরির আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন করছিল সরকারি এ  সংস্থাটি। পরে এ বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়ার একটি অংশের ভাইবা স্থগিত করা হয়েছে।

গতকাল বিসিকের বোর্ড সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে ওয়েবসাইটে দেওয়া এক নোটিসে বলা হয়, অনিবার্য কারণে ৫ ক্যাটাগরির ৩২ পদে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। পরে এ বিষয়ে জানানো হবে বলেও বিসিক সচিব প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল আলম স্বাক্ষরিত ওই নোটিসে বলা হয়।

বিসিক সূত্র জানায়, গত ১৩ আগস্ট ৪৪ ক্যাটাগরিতে ২০৯টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিসিক। এর মধ্যে ৬ষ্ঠ হতে ৩য় গ্রেডে পদ ৬৩টি। গতকাল বিসিক ৬ষ্ট গ্রেডের এ নিয়োগের ভাইভা স্থগিত করেছে। নিয়মানুযায়ী, দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানে পদোন্নতির মাধ্যমে ৬ষ্ঠ হতে উপরের পোস্টগুলো পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। কিন্তু বিসিক কর্তৃপক্ষ সেটাকে আমলে না নিয়ে সরাসরি নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়। পরে আদালত ৩ ফেব্রুয়ারি এ নিয়োগে স্থগিতাদের দেওয়ার পরও ১১ মার্চ মৌখিক পরীক্ষার ঘোষণা দেয় বিসিক। বিসিক কর্মকর্তারা বলছেন, বিসিকের এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের  লেনদেন জড়িত। ফল প্রকাশ থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দেখা গেছে। দেখা যায়, উপ-ব্যবস্থাপক পদে ২১টির বিপরীতে ১৮৮ জনকে আবার এসিএ পদের ৩টি বিপরীতে ৯২ জনকে ভাইবার জন্য ডাকা হয়েছে। আর নিয়োগ বাণিজ্য করতেই আদালতের নির্দেশনা ও চাকরির বিধিমালা লঙ্ঘনের নেপথ্যে রয়েছে সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহঃ ইফতিখার।