ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার গত রবিবার থেকে স্নাতক চতুর্থবর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের গ্রন্থাগারে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এদিন বিজ্ঞান গ্রন্থাগারে কিছু শিক্ষার্থী জোর করে প্রবেশ করেন। একই দৃশ্য গতকাল সোমবারেরও। এ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের প্রবেশ ঠেকালেও বিজ্ঞান গ্রন্থাগারে ছিল চাকরিপ্রত্যাশী ও শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।
সরেজমিনে দেখা যায়, করোনার অন্তত এক ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণের প্রমাণস্বরূপ টিকা কার্ড, লাইব্রেরি কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে গ্রন্থাগারে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। বিজ্ঞান গ্রন্থাগারের বারান্দায় শিক্ষার্থীরা আগের মতো চেয়ার-টেবিল নিয়ে পড়তে দেখা যায়। তবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কম। বিজ্ঞান গ্রন্থাগারে চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করায় বাইরে শিক্ষার্থীদের চাপ অনেক কম। বাইরের কোনো বই নিয়ে লাইব্রেরিতে ঢোকা যাবে না—এমন নিয়ম থাকলেও সে নিয়মও মানেননি শিক্ষার্থীরা।
সপ্তাহে পাঁচ দিন (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার) গ্রন্থাগার ও সেমিনারগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে এ পর্যায়ে সেখানে শুধু স্নাতক চতুর্থবর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করার সুযোগ পেলেও ধাপে ধাপে অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীরাও পড়ার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই শর্তে এই দুই বর্ষের শিক্ষার্থীদের আগামী ৫ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে হলে তোলা হবে। এদিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে নিয়ম মেনে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করানো হয়েছে। কয়েক জন চাকরিপ্রত্যাশী প্রবেশ করতে চাইলেও তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।